‘বারে বারে যুদ্ধ থামাতে বলেন মোদী!’ পরম বন্ধুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ পুতিন
মস্কো: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কূটনৈতিক (Ukraine Peace )উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, মোদী ক্রমাগত ইউক্রেন সংঘাতের অবসান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং…
মস্কো: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কূটনৈতিক (Ukraine Peace )উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, মোদী ক্রমাগত ইউক্রেন সংঘাতের অবসান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং এর জন্য কৃতজ্ঞ। মস্কোর ভালদাই আলোচনা ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুতিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই বিশ্বনেতাদের একজন যিনি আমাদের অত্যন্ত ভাল এবং এমনকি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ব্যক্তিগত ভাল সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও ক্রমাগত ইউক্রেন সংঘাতের অবসান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।”
তিনি আরও যোগ করেন, মোদীর মধ্যে গভীর আগ্রহ রয়েছে এবং উভয় পক্ষের গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করার জন্য খুব ভাল ধারণা রয়েছে। (Ukraine Peace )পুতিন স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা প্রধানমন্ত্রীর ধারণার জন্য কৃতজ্ঞ। শান্তিপূর্ণ উপায়ে এবং যত দ্রুত সম্ভব এই সংঘাতের অবসান ঘটানোর তার ইচ্ছার জন্যও আমরা কৃতজ্ঞ।”এই মন্তব্যের গুরুত্ব অনেক। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও মোদী প্রতিটি বৈঠকে শান্তির কথা তুলে ধরেন।
আরও দেখুনঃ ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ সংসদীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সুপ্রিমকোর্টের
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের সাইডলাইনে দুই নেতার বৈঠক হয়েছিল। সেখানেও ইউক্রেন ইস্যু আলোচনা হয়। মোদী বরাবরই সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দিয়ে আসছেন।ভারতের অবস্থান স্পষ্ট। দেশ কোনো পক্ষ নেয়নি, বরং মানবিক সাহায্য দিয়েছে এবং শান্তির আহ্বান জানিয়েছে। পুতিনের স্বীকৃতি দেখায় যে মস্কো নয়াদিল্লির এই প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। অনেক বিশ্বনেতা যখন একপক্ষীয় অবস্থান নেন, তখন ভারতের নিরপেক্ষতা ও সক্রিয় শান্তি উদ্যোগ আলাদাভাবে উঠে এসেছে।
ইউক্রেন সংঘাত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। (Ukraine Peace )এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি, খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহে পড়েছে। ভারতের মতো দেশগুলো মধ্যস্থতার ভূমিকা নিতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। মোদীর ধারণাগুলো কী ছিল, পুতিন তা বিস্তারিত বলেননি। তবে তিনি যে এগুলোকে ‘খুব ভালো’ বলে উল্লেখ করেছেন, তাতেই ইঙ্গিত পাওয়া যায়।পুতিনের এই বক্তব্য ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের আরও এক অধ্যায়।
দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা দৃঢ়। একই সঙ্গে ভারত পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গেও ভারসাম্য বজায় রেখেছে। এই কূটনৈতিক দক্ষতাই মোদীর নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য।আন্তর্জাতিক মহলে এই মন্তব্য আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকে বলছেন, ভারতের ভূমিকা সংঘাতের অবসানে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীলতা ফিরবে। পুতিনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সেই সম্ভাবনাকেই তুলে ধরে।