বুনে বুনে যাই… অপূর্ণ স্বপ্ন নিয়ে উলের কর্মশালা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে
কেন যোগ দিচ্ছেন কর্মশালায়, ভবানীপুরের বাসিন্দা চিকিৎসক চারুলতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘কর্মজীবন প্রচণ্ড ব্যস্ততায় কেটেছে। তাই মা-ঠাকুমার থেকে আর এই বুনন শিল্পের তালিমটা নেওয়া হয়নি। এখন আমি পাবলিক হেলথ নিয়ে কাজ করি। পেশাগত কারণেই সারাক্ষণ কম্পিউটারের স্ক্রিন এবং মোবাইলে চোখ রাখতে হয়। নিজের জন্য কিছু করতেই কর্মশালায় যাচ্ছি।’ ‘ট্যাবু’ ভেঙে উল বুনতে যাচ্ছেন অর্কও। কেন? শ্রীরামপুরের বাসিন্দা, জয়পুরিয়া কলেজের পড়ুয়া অর্কর উত্তর, ‘আমি ছোট থেকেই ছবি আঁকতে ভালোবাসি। আমার মতে শিল্পের কোনও জেন্ডার নেই। নতুন কিছু শিখব বলেই কর্মশালায় যোগ দিচ্ছি।’ অর্ক জানাচ্ছেন, তাঁর ঠাকুমা এখনও উল বোনেন। তবে সেটা শেখা হয়নি। বেসিকটা শিখে নিয়ে বাকিটা ঠাকুমার কাছেই শিখতে চান অর্ক।