MBSG, ISL 2024-25: টিফোতে রেকর্ড সমর্থকদের, তৈরির খরচ এবং সময়ের হিসেবটা জানেন? - Bengali News | Indian Super League: Mohun Bagan fans creates history with biggest hand made tifo in Bengaluru FC match at Kolkata - 24 Ghanta Bangla News
Home

MBSG, ISL 2024-25: টিফোতে রেকর্ড সমর্থকদের, তৈরির খরচ এবং সময়ের হিসেবটা জানেন? – Bengali News | Indian Super League: Mohun Bagan fans creates history with biggest hand made tifo in Bengaluru FC match at Kolkata

Spread the love

বিদেশি ফুটবলে টিফো সংস্কৃতি নতুন নয়। তবে ভারতীয় ফুটবলেও গত কয়েক বছরে টিফো, ম্যাচ চলাকালীন গান, সমর্থকদের এমন নানা ভালো দিক দেখা গিয়েছে। গ্যালারি থেকে টিমকে সমর্থন করার জন্য় নানা পন্থা বেছে নিয়েছেন সমর্থকরা। কলকাতা ফুটবলেও দীর্ঘ সময় ধরে এই রীতি দেখা যাচ্ছে। সেটা ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে হোক আর মোহনবাগান। অনেক সময় কিছু টিফো নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান একে অপরকে বিদ্রুপ করেও টিফো তৈরি করেন। সবটাই খেলার সঙ্গে জড়িয়ে। আবেগের বহিঃপ্রকাশ। এ দিন মোহনবাগানের ম্যাচে অপূর্ব এক টিফো দেখা গেল।

গত দুটি অ্যাওয়ে ম্যাচে ড্র করেছিল মোহনবাগান। ঘরে ফিরে জয়ে ফিরতেও মরিয়া ছিল সবুজ মেরুন। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সমর্থকরাও টিমের জন্য় ‘টুয়েলভথ ম্যান’ হতে প্রস্তুত ছিলেন। এর মাঝেই চোখ পড়তে বাধ্য একটি টিফোতে। চোখ পড়বে নাই বা কেন! এত্ত বড় টিফো! তাও আবার হাতে আঁকা? এও সম্ভব! সেটাই করে দেখিয়েছেন মোহনবাগান সমর্থকরা। যুবভারতীর গ্যালারিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে আঁকা টিফো নামালেন মোহনবাগান সমর্থকরা। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এর আগে এত বড় টিফো দেখা যায়নি। মোহনবাগান সমর্থকরা এ দিন ২৫ হাজার ৫০০ বর্গফুটের টিফো নামিয়ে ইতিহাস গড়ল।

এর সম্পর্কে একটু জেন নেওয়া যাক? টিফোটি বানিয়েছে মেরিনার্স বেসক্যাম্প। তিন সপ্তাহ দিন রাত এক করে হাতে আঁকা টিফো তৈরি করেছে তারা। ২টো শিফটে কাজ হয়েছে। প্রত্যেক শিফটে ১৫-২০ জন কাজ করেছেন। সকাল ১০টা থেকে ৬টা আর সন্ধে ৭টা থেকে রাত ২টো পর্যন্ত কাজ চলত। আন্দুলের রাসমাঠে চলেছে এই টিফো বানানোর কাজ। প্যান্ডেল খাটিয়ে টিফো বানানোর কাজ শুরু হয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে মোহনবাগানের সমর্থকরা ছুটে এসেছেন এই টিফো বানানোর কাজে হাত দিতে। এমনকি ছত্তীশগঢ় থেকেও এসেছেন সমর্থকরা!

টিফো তৈরিতে খরচ হয়েছে ৭.৫ লাখ টাকা। বিটস অব বাগান (BOB)-এ ৩.৫ লক্ষ টাকা উঠেছিল এই ফ্যান ক্লাবের ফান্ডিংয়ে। সেটাকে কাজে লাগানো হয়। আর বাকি খরচ তোলা হয় ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে। বিভিন্ন জায়গা থেকে সমর্থকরা ডোনেট করেন। এমনকি বিদেশ থেকেও ডোনেট করেন অনেকে। এক সমর্থক বিদেশ থেকে ২৫ হাজার টাকা ডোনেট করেন। মাতৃসম ক্লাবের জন্য কোনও সমর্থকই সহযোগিতা করতে পিছপা হননি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *