লাইভ শোয়ে ড্রোনে লাথি সঞ্চালকের, ছিটকে গিয়ে আঘাত মডেলের ঠোঁটে, তার পরে কী হলো?
লাইভ অনুষ্ঠান চলছে। স্টুডিয়োয় উড়ছিল একটি ড্রোন। সেটি দেখেই হঠাৎ মেজাজ হারালেন সঞ্চালক। সপাটে লাথি মারলেন ড্রোনে। কিন্তু সেটি ছিটকে গিয়ে সোজা আঘাত করল পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক মডেলের মুখে! যন্ত্রণায় মুখ চেপে ধরলেন ওই তরুণী। মুহূর্তে বদলে গেল অনুষ্ঠানের পরিবেশ। মেক্সিকোর একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন শোয়ে ঘটেছে এমনই ঘটনা। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
ঘটনাটি মেক্সিকোর মন্টেরেরের। গত ২৬ অক্টোবর ‘এস শো’ (Es Show) নামে একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের শুটিং চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে বলে খবর। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হয় ‘ক্যানাল ৬’ (Canal 6)-এ। এর সঞ্চালনা করছিলেন আর্নেস্তো চাভানা। আর ড্রোনের আঘাতে আহত হন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কলম্বিয়ার মডেল ও নৃত্যশিল্পী ইসাবেলা রোহাস।
ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, স্টুডিয়োয় নিচু দিয়ে উড়ছিল ড্রোনটি। সেটি দেখে বিরক্ত হয়ে লাথি মারেন চাভানা। কিন্তু ড্রোনটি দূরে সরে যাওয়ার বদলে ছিটকে গিয়ে লাগে ইসাবেলার মুখে। আচমকা আঘাতে হতচকিত হয়ে পড়েন তিনি। মুখে হাত দিয়ে যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যান। তাঁকে সাহায্য করতে ছুটে আসেন অনুষ্ঠানের অন্য সদস্যরা।
ঠোঁটে চোট, তার পর কী হলো?
রিপোর্ট অনুযায়ী, ড্রোনের আঘাতে ইসাবেলার ঠোঁট কেটে ফালা ফালা হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসার জন্য কিছুক্ষণের জন্য তাঁকে স্টুডিয়ো ছাড়তে হয়। পরে নিজের ঠোঁটের ক্ষতও দেখান তিনি। তবে আঘাত গুরুতর ছিল না বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।
ঘটনার পরে দুঃখপ্রকাশ করেন সঞ্চালক চাভানা। যা ঘটেছে, তার দায় নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, অনুষ্ঠানের প্রযোজনা সংস্থার তরফে ইসাবেলার চিকিৎসার খরচ বহনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। চিকিৎসার পরে ইসাবেলা ফের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।
Mexican TV host injures a woman after kicking a drone straight into her face
The drone was flying around the studio and eventually annoyed the presenter so much that he decided to kick it.
But he misjudged its trajectory, and the drone struck one of the show’s participants in the face.
The model left the set in tears, writhing in pain. https://t.co/A0RMuNe4Uv
— NEXTA (@nexta_tv) October 28, 2026
তবে লাইভ শোয়ের এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে। স্টুডিয়োয় ড্রোন ওড়ানোর সময়ে যথাযথ সতর্কতা ছিল কি? আর বিরক্ত হয়ে সেটিকে লাথি মারার প্রয়োজনই বা পড়ল কেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ার পর এমনই নানা প্রশ্ন তুলছেন নেটিজ়েনরা।