১৯৫২–য় সুধীররঞ্জন তলাপাত্রের উদ্যোগে মন্দির তৈরি হয়।
টিনের চালার মন্দির এখন পাকা হয়েছে। তৈরি হয়েছে নাটমন্দির, শিবমন্দির, পাকঘর ও পুরোহিতের থাকার কোয়ার্টার। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, তেঁতুলতলার কালীর কাছে সমস্যার কথা জানালে তার সমাধান হয়। মন্দির কমিটির সম্পাদক অশোককুমার দাস বলেন, ‘আমার মায়ের কাছে শুনেছি, এই মন্দিরের সঙ্গে যোগমায়া, পাণ্ডাপাড়া ও দেবী চৌধুরানির কালী মন্দিরের যোগসূত্র রয়েছে। স্থানীয়দের অনেকে রাতে লালপাড় শাড়ি পরা দু’-তিন জন মহিলাকে মন্দিরে ঢুকতে ও বেরোতে দেখেছেন।’