হিংসাত্মক বিক্ষোভ রুখতে ইমার্জেন্সি জারির পথে হাঁটবে সরকার?
ক্রমশ বেড়ে চলা মূল্যবৃদ্ধি, তেলের দাম বেড়ে চলা, নাগরিক পরিষেবার মুখ থুবড়ে পড়া, স্কুলের বেহাল দশা- এমন একাধিক কারণে গোটা ফ্রান্সের নানা জায়গায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। অনেক শহরেই সেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নিয়েছে। একাধিক শহরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক দোকানপাটে লুঠ চলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় স্তরে কার্ফু জারির নির্দেশ দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু। প্রয়োজন হলে জরুরি অবস্থা জারির ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। রবিবারের হিংসার ঘটনায় দেশজুড়ে ২,৪০০-র বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর। এই আবহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজের ইস্তফা পাঠিয়েছিলেন। যদিও তা গ্রহণ করেননি ইম্যানুয়েল মাক্রঁ। নিরাপত্তার ঘাটতি খতিয়ে দেখে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।