পুজো কমিটির ঘোষণাই কি কারণ? স্থগিত শাহের কর্মসূচি - 24 Ghanta Bangla News
Home

পুজো কমিটির ঘোষণাই কি কারণ? স্থগিত শাহের কর্মসূচি

Spread the love

কলকাতা: উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে একাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় (Chorbagan Stampede) তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সপ্তমীর সন্ধ্যায় মণ্ডপের বেরোনোর গেটে প্রবল ভিড়ের…

কলকাতা: উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে একাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় (Chorbagan Stampede) তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সপ্তমীর সন্ধ্যায় মণ্ডপের বেরোনোর গেটে প্রবল ভিড়ের চাপে এই বিপর্যয় ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে এলেও, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহতদের মধ্যে প্রায় ২৫ জনের চিকিৎসা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং আহতদের চিকিৎসাকে আপাতত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার জেরে আগামীকালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।

পুজো কমিটির ঘোষণার জেরেই দুর্ঘটনা? প্রাথমিক তদন্তে প্রশ্ন

ঘটনা সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে পুজো কমিটির তরফে মাইকে ঘোষণা করার পরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এটি প্রাথমিক তথ্য, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৪ জনের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে ছয়জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ঘটনাস্থলে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন কুণাল ঘোষের

চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো মণ্ডপে এই মর্মান্তিক ঘটনার পর কলকাতা পুলিশের ভূমিকা এবং পুজো কমিটির দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। এত বড় দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটল, ভিড় নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং পুজো কমিটির কর্তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি, ঘটনার পর কলকাতার নগরপালের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন কুণাল।

দুর্ঘটনার পর সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য পুজো মণ্ডপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা, আহতদের চিকিৎসা এবং মৃতদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। তবে ঠিক কী কারণে বেরোনোর গেটে এমন ভিড় জমল এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

মৃতের সংখ্যা নিয়ে এখনও অসঙ্গতি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে ১৭ জনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে, অন্যদিকে কিছু প্রতিবেদনে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর দাবি করা হচ্ছে। সরকারি ভাবে চূড়ান্ত সংখ্যা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই পার্থক্য মাথায় রাখা জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *