উপনির্বাচনেও গেরুয়া ঝড়, প্রাথমিক ট্রেন্ডে নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে এগিয়ে বিজেপি, বিপুল ব্যবধানে জয়ের ইঙ্গিত?
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে শুরু হয়েছে ভোটগণনা। শুক্রবার সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে দুই বিধানসভা কেন্দ্রের এলাকা। প্রাথমিক ট্রেন্ডে দেখা যাচ্ছে, দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সকাল ৯টায় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে প্রায় ৯ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। রেজিনগরেও ১০ হাজারের বেশি ভোটে লিড নিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী শাখারভ সরকার।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রেজিনগর উপনির্বাচনে বিজেপির শাখারভ ১১,৬১৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। কংগ্রেসের আব্দুল্লাহিল কাফি ৫৮১ ভোট পেয়েছেন। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থীর ঝুলিতে গিয়েছে ৪৪৬ ভোট। অন্য দিকে, নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে হাসিরানি রথ নয় হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। এই কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান।
রাজ্যে পালাবদলের পরে এটাই প্রথম উপনির্বাচন। চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে জিতেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম, দু’টো আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। তবে ভবানীপুর আসনের জয়ী প্রার্থী হিসেবে শপথ নেন তিনি। নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে।
অন্য দিকে, রেজিনগর ও নওদা, দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই জিতেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। তিনি নওদা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন। ফলে রেজিনগরে উপনির্বাচন হচ্ছে। তবে গণনাকেন্দ্রে হুমায়ুনের দলের এজেন্ট দেখা যায়নি। দেখা যায়নি মমতা তৃণমূলের এজেন্টদেরও।
শাখারভ অবশ্য জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে থাকার পরে তিনি বলেন, ‘নন্দরানি ডলের মতো ব্যবধান চাই।’ উল্লেখ্য, ২০০১-এর বিধানসভা নির্বাচনে ১ লক্ষ ৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জমিতেছিলেন সিপিএম প্রার্থী নন্দরানী ডল, যা মোট ভোটের ৯০.৬৪ শতাংশ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ১,২০,৫৬৬টি ভোট পেয়েছিলেন, যা ছিল মোট ভোটের ৯০.৬৪ শতাংশ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) রজনীকান্ত দোলুই পেয়েছিলেন ১২,৪৫৪টি ভোট।