মুর্শিদাবাদের চৌধুরীবাড়িতে দুর্গার পাশে থাকে না গণেশ, কার্তিক, বলির আগে এখনও আকাশে ওড়ে শঙ্খচিল
তবে, শুধু প্রতিমাই নয়, এই পুজোর রীতিনীতি নিয়েও রয়েছে বিস্তর নিয়ম। চৌধুরী পরিবারের সদস্য ধর্মব্রত চৌধুরী জানিয়েছিলেন, আগে এই দুর্গাপুজোর সময়ে ছাগ বলি দেওয়া হতো। কিন্তু এখন সেই নিয়ম বন্ধ হয়েছে। তার পরিবর্তে চালকুমড়ো বলি দেওয়া হয়। পাশাপাশি, তিনি আরও জানান, আগে তো ঘড়ির প্রচলন ছিল না। সময়ও সে ভাবে বোঝা যেত না।
কিন্তু পুজোর সব নিয়ম হতো সময় মেনে। বলির ঠিক আগে আকাশে নিয়ম করে শঙ্খচিল আর শিয়াল আসত। তারা আসার পরেই নির্দিষ্ট একটি সময়ে বলিদান হত। এখনও বলির আগে শঙ্খচিল আকাশে ওড়ে।
তবে আগে এই পুজোতে প্রচুর লোকের জমায়েত হতো। পুজোর ক’দিন কয়েকশো লোকের পাত পড়ত এই বাড়িতে। আর এই বাড়ির সদস্য রূপচাঁদ চট্টোপাধ্যায় নবাবের দরবারে গায়ক ছিলেন। তাই, পুজোর সময়ে প্রতি বছর গানের আসরও বসত। তাঁদের প্রতিভার জন্যই নবাবি আমলে চট্টোপাধ্যায় থেকে চৌধুরী উপাধি দেওয়া হয়।
তবে, মন্দিরের উঁচু দালান, মাটির দেওয়াল, খড়ের চালের বদলে এখন উঠেছে কংক্রিটের মন্দির। সেখানেও সব নিয়ম মেনেই পুজো হয়।