Mahindra Vision T-এর প্রথম স্পাই, Thar.e থেকে বদলাবে ডিজাইন - 24 Ghanta Bangla News
Home

Mahindra Vision T-এর প্রথম স্পাই, Thar.e থেকে বদলাবে ডিজাইন

Spread the love

ভারতের রাস্তায় প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে দেখা গেল Mahindra Vision T-এর প্রি-প্রোডাকশন প্রোটোটাইপ। ২০২৫ সালে প্রকাশিত Vision T কনসেপ্টের সঙ্গে নতুন পরীক্ষামূলক গাড়িটির বেশ কিছু ডিজাইন উপাদানের মিল রয়েছে বলে স্পাই ছবিতে দেখা যাচ্ছে। Vision T নিজেই ২০২৩ সালের আগস্টে প্রদর্শিত Mahindra Thar.e কনসেপ্টের বিবর্তিত রূপ।

তবে পরীক্ষামূলক গাড়িটিকে ভারী ক্যামোফ্লাজে ঢাকা থাকায় চূড়ান্ত প্রোডাকশন মডেলের ডিজাইন সম্পর্কে এখনও সব তথ্য পরিষ্কার নয়। বিশেষ করে গাড়িটির লাইটিং, ইন্টেরিয়র এবং অফ-রোড হার্ডওয়্যারে কী কী পরিবর্তন হবে, তা জানা যায়নি।

Vision T প্রোটোটাইপে অফ-রোড ডিজাইনের ছাপ

সামনের দিকে Vision T প্রোটোটাইপে স্প্লিট গ্রিল দেখা যাচ্ছে। গ্রিলের হরাইজন্টাল স্ল্যাটগুলি Vision T কনসেপ্টের সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। এর সঙ্গে রয়েছে ফ্ল্যাট বনেট, খাড়া উইন্ডস্ক্রিন এবং চওড়া হুইল আর্চ।

গাড়িটির সামনে অফ-রোড ব্যবহারের উপযোগী বাম্পারও দেখা গিয়েছে। বাইরের আয়তাকার রিয়ারভিউ মিররগুলি Mahindra Thar Roxx-এর মিররের মতো দেখতে। পরীক্ষামূলক মডেলে হ্যালোজেন হেডলাইট এবং টেল-লাইট ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এগুলি সম্ভবত টেস্টিংয়ের জন্য অস্থায়ী ইউনিট। প্রোডাকশন ভার্সনে LED লাইট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গাড়িটির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স বেশ উঁচু বলে স্পাই ছবিতে বোঝা যাচ্ছে। পাশাপাশি রয়েছে সাইড স্টেপ। Vision T কনসেপ্টের তুলনায় প্রোটোটাইপের হুইল ডিজাইনও অনেক বেশি প্রচলিত ধরনের। কনসেপ্ট মডেলের পলিগোনাল ডিজাইনের পরিবর্তে পরীক্ষামূলক গাড়িতে সাধারণ ডিজাইনের চাকা ব্যবহার করা হয়েছে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল দরজার হ্যান্ডেল। Vision T কনসেপ্টের মতোই প্রোটোটাইপে পিছনের দরজার হ্যান্ডেল উল্লম্বভাবে বসানো হয়েছে, প্রচলিত অনুভূমিক বিন্যাসে নয়।

পিছনে থাকতে পারে স্পেয়ার হুইল

প্রোটোটাইপের পিছনের কোয়ার্টার গ্লাসের অংশ সম্পূর্ণ ক্যামোফ্লাজ করা হয়েছে। ফলে সেখানে কী ধরনের ডিজাইন থাকবে, তা এখনই বোঝা যাচ্ছে না।

টেস্ট গাড়িতে টেলগেটের সঙ্গে কোনও স্পেয়ার হুইল দেখা যায়নি। তবে প্রোডাকশন মডেলে স্পেয়ার হুইল দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। Mahindra Thar Roxx-এও টেলগেট-মাউন্টেড স্পেয়ার হুইল থাকায় Vision T-এর চূড়ান্ত সংস্করণেও এমন ব্যবস্থা দেখা যেতে পারে।

পিছনের দিকে রয়েছে হাই-মাউন্টেড স্টপ ল্যাম্প এবং অপেক্ষাকৃত খাড়া রিয়ার গ্লাস। সামগ্রিক ডিজাইনে Vision T-এর কনসেপ্টের পাশাপাশি Mahindra-র বর্তমান অফ-রোড SUV ডিজাইনের প্রভাব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইন্টেরিয়রে কী কী ফিচার থাকতে পারে?

প্রোটোটাইপের ইন্টেরিয়রের ছবি খুব সীমিত তথ্য দিচ্ছে। স্পাই শটে A-পিলারে মাউন্ট করা গ্র্যাব হ্যান্ডেল এবং একটি ডিজিটাল ড্রাইভার ডিসপ্লে দেখা যাচ্ছে।

তবে প্রোডাকশন-স্পেক SUV-তে আরও বেশ কিছু আধুনিক ফিচার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ওয়্যারলেস চার্জিং, স্টিয়ারিং-মাউন্টেড অডিও কন্ট্রোল, ওয়্যারলেস Android Auto এবং Apple CarPlay, অটোমেটিক ক্লাইমেট কন্ট্রোলের মতো ফিচার থাকতে পারে।

Vision T কনসেপ্টে থাকা প্যানোরামিক সানরুফ, পোর্ট্রেট-স্টাইল টাচস্ক্রিন এবং নতুন থ্রি-স্পোক স্টিয়ারিং হুইল প্রোডাকশন মডেলে রাখা হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

নতুন NU_IQ প্ল্যাটফর্মে তৈরি হবে SUV

Mahindra Vision T কনসেপ্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এর নতুন NU_IQ আর্কিটেকচার। এটি একটি মডিউলার মনোকক প্ল্যাটফর্ম, যা ৩,৯৯০mm থেকে ৪,৩২০mm দৈর্ঘ্যের SUV তৈরির জন্য তৈরি করা হয়েছে।

এই প্ল্যাটফর্মে তৈরি গাড়িগুলিতে অফ-রোড সক্ষমতার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। Mahindra-র তথ্য অনুযায়ী, NU_IQ প্ল্যাটফর্মের গাড়িতে সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি অ্যাপ্রোচ অ্যাঙ্গেল, ৩৪.৯ ডিগ্রি ডিপার্চার অ্যাঙ্গেল এবং ২৮.২ ডিগ্রি ব্রেকওভার অ্যাঙ্গেল থাকতে পারে।

তবে Vision T-এর প্রোডাকশন ভার্সনে ঠিক কী ধরনের অফ-রোড হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হবে, তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

ইলেকট্রিক SUV হিসেবেই আসবে Vision T?

২০২৩ সালে প্রকাশিত Thar.e কনসেপ্ট ছিল একটি ইলেকট্রিক SUV। সেই কারণে Vision T-এর প্রোডাকশন ভার্সনও ইলেকট্রিক-অনলি মডেল হিসেবে বাজারে আসতে পারে।

বর্তমানে Mahindra Thar এবং Thar Roxx-এ পেট্রোল ও ডিজেল ইঞ্জিনের বিকল্প রয়েছে। এর পাশাপাশি ইলেকট্রিক মডেল যুক্ত হলে ক্রেতাদের জন্য পাওয়ারট্রেনের বিকল্প আরও বাড়বে।

তবে NU_IQ প্ল্যাটফর্ম শুধুমাত্র ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেনের জন্য তৈরি নয়। Mahindra জানিয়েছে, এই আর্কিটেকচার ফ্রন্ট-হুইল ড্রাইভ এবং অল-হুইল ড্রাইভ, দুই ধরনের লেআউটই সমর্থন করতে পারে। ভবিষ্যতে হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন ব্যবহারের সম্ভাবনাও রয়েছে।

নিরাপত্তায় ৫-স্টার রেটিংয়ের লক্ষ্য

Vision T প্রকাশের সময় Mahindra জানিয়েছিল, প্রোডাকশন মডেলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উচ্চ মান বজায় রাখার লক্ষ্য রয়েছে। সংস্থাটি Global NCAP এবং Euro NCAP-এর মতো আন্তর্জাতিক ক্র্যাশ-টেস্ট সংস্থার পরীক্ষায় ৫-স্টার নিরাপত্তা রেটিং পাওয়ার লক্ষ্য রাখবে বলে জানিয়েছিল।

তবে প্রোডাকশন মডেলের চূড়ান্ত স্পেসিফিকেশন, পাওয়ারট্রেন, ফিচার এবং দাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। ফলে Vision T-এর বাজারে আসার পর এর অবস্থান ঠিক কোথায় হবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

কবে লঞ্চ হবে Mahindra Vision T?

এই মুহূর্তে Mahindra Vision T-এর নির্দিষ্ট লঞ্চের সময়সীমা প্রকাশ করা হয়নি। প্রোটোটাইপের রোড টেস্টিং শুরু হওয়া থেকে বোঝা যাচ্ছে, মডেলটির ডেভেলপমেন্ট এগোচ্ছে। তবে চূড়ান্ত উৎপাদন মডেলে কনসেপ্টের কতটা ডিজাইন রাখা হবে এবং কোন পাওয়ারট্রেন ব্যবহার করা হবে, তা এখনও Mahindra-র সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে।

প্রোডাকশন ভার্সনের দাম, ব্যাটারি বা ইঞ্জিনের স্পেসিফিকেশন এবং লঞ্চ টাইমলাইন সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে এলে Vision T-এর অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *