ডিভোর্স কেসে পকসো প্রয়োগে শেখানো বয়ান, ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট
হাইকোর্ট সূত্রের খবর, এক দম্পতির দীর্ঘদিনের বিবাহিত জীবনের সমস্যাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় পকসো আইনের ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। প্রথমে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় চার্জশিট দেয় বীরভূম জেলার সিউড়ি থানার পুলিশ। বীরভূমের আদালতের বিচারক সেই চার্জশিট গ্রহণ করে ওই ধারাগুলিতে স্বীকৃতি দেন। কিন্তু একই দিনে পরবর্তী একটি নির্দেশে নাবালিকা থাকার সময়ে দম্পতির কন্যার অভিযোগের কথা উল্লেখ করে ফের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর গোপন বয়ান রেকর্ড করা হয় এবং মামলায় যুক্ত করা হয় পকসো আইনের ৮, ১০ ও ১২ নম্বর ধারা। পরে পকসো আইনের ধারায় চার্জ গঠন করা হয় বিশেষ আদালতে। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই ব্যক্তি বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এই ভাবে চার্জশিট গ্রহণ এবং ‘যখনকার অভিযোগ, তখন নির্যাতিতা নাবালিকা’— এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে পকসো ধারা প্রয়োগ করা ও ফের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া স্পষ্টতই অস্বাভাবিক। হাইকোর্টের আরও বক্তব্য, ম্যাজিস্ট্রেটের ওই নির্দেশের পরেই নির্যাতিতার বয়ানে দাবি করা হয় যে, ঘটনার সময়ে তাঁর বয়স ছিল ১৭ বছর, অথচ তার আগে তাঁরই রেকর্ড করা বয়ানে এমন বক্তব্য ছিল না।