ঢাকুরিয়ার সুইমিং পুলের জলে ডুবে মৃত কিশোর
প্রশিক্ষক সুবর্ণ গোস্বামীর দাবি, ‘ওই সুইমিং ক্লাবে মহিলা এবং পুরুষ, দু’জনের জন্যই সাঁতার শেখার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রায় ৭৫ ফুট চওড়া পুলকে দু’ভাগে ভাগ করা ছিল। এ দিন মাঝের ব্যারিকেড তুলে দেওয়া হয়েছিল। ৭৫ ফুটের সুইমিংপুলে দু’রাউন্ড সাঁতার কেটেছিল সরিপ। মহিলারা যে দিকে সাঁতার কাটেন, সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।’ কী ভাবে ওই কিশোর জলে তলিয়ে গেল, প্রশিক্ষক বা ক্লাব কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি ছিল কি না—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিছুদিন আগে চেতলার সুইমিংপুলেও ঠিক একই রকমের ঘটনা ঘটেছিল।