অসম-মেঘালয়ের অশান্তির আঁচে পর্যটনে ধাক্কা, শিলং-চেরাপুঞ্জিতে ৯০ শতাংশ বুকিং বাতিল
প্রশ্ন উঠছে, পর্যটকদের একটা বড় অংশকে অসম হয়ে মেঘালয়ে প্রবেশ করতে হয়, তাই দুই রাজ্যের মধ্যে রাস্তা বন্ধ থাকলে পর্যটকরা মেঘালয়ে পৌঁছবেন কী করে? অনেকে আবার উত্তর-পূর্বের একাধিক রাজ্যে একসঙ্গে ভ্রমণ করেন। তাই অন্য রাজ্যগুলিতেও এই অশান্তির প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন ট্যুর অপারেটররা। পরিবহণ সংস্থা, রেস্তোরাঁ, হ্যান্ডিক্র্যাফটের মতো ছোট–বড়–মাঝারি বহু শিল্প পর্যটনের উপরেই নির্ভরশীল। তাই নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরানো এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন ট্যুর অপারেটররা। এই পরিস্থিতিতে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে সাংমার আশ্বাস, ১৯ তারিখের অশান্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিমও গঠিত হয়েছে। তারা অসম ও মেঘালয়ে সমন্বয় রেখে তদন্ত করছে যাতে স্বাভাবিক পরিস্থিতি দ্রুত ফেরানো যায়।