ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কবে থেকে নামবে পারদ?
কলকাতা: অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর স্থলভাগ অতিক্রম করার পর শক্তি হারালেও, তার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে আবহাওয়ার বড়সড় বদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুই মেদিনীপুর…
কলকাতা: অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর স্থলভাগ অতিক্রম করার পর শক্তি হারালেও, তার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে আবহাওয়ার বড়সড় বদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে বুধবার গভীর রাত থেকেই অবিরাম বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কলকাতার আকাশেও বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার ঘটেছে এবং সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দফায় দফায় বৃষ্টিপাত চলছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী দুই দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ অর্থাৎ ২৯ অক্টোবর এবং আগামী ৩০ অক্টোবর—এই দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট বেশি থাকতে পারে। যার ফলে নিচু এলাকাগুলিতে জল জমার আশঙ্কা এবং কৃষিজমিতে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে সতর্ক করা হয়েছে।
পাশাপাশি, এই সাইক্লোনের প্রভাবে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি অঞ্চলেও আবহাওয়া বদলেছে। দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, সিকিমের উঁচু পার্বত্য এলাকা যেমন কুপুপ গ্রাম ও নাথাং উপত্যকায় বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই মরশুমের প্রথম তুষারপাতের খবর মিলেছে।
কবে কাটবে দুর্যোগ ও নতুন নিম্নচাপের শঙ্কা?
আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অংশে বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে শুরু করবে। ওই দিন বিকেলের পর থেকে বাংলার সামগ্রিক আবহাওয়া পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মাঝেই নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে আরও একটি সিস্টেম। আবহাওয়া সূত্রে খবর, আগামী ২ বা ৩ নভেম্বর নাগাদ আন্দামান সাগরে নতুন করে একটি নিম্নচাপ দানা বাঁধতে পারে, যা পরবর্তীতে তামিলনাড়ুর দিকে এগোতে পারে। তবে এর প্রত্যক্ষ কোনো প্রভাব পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই।
তাপমাত্রা পতন ও শীতের আমেজ
ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ টানে কলকাতা সহ রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হতে শুরু করেছে। বুধবার রাতেই কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে হয়েছিল ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা বৃহস্পতিবার আরও কমে প্রায় ২১ ডিগ্রির কাছাকাছি নামতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। ভোরে ও গভীর রাতে হালকা শীতের আমেজ টের পাওয়া গেলেও পাকাপাকি শীত আসতে এখনও দেরি রয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ (১২ নভেম্বর থেকে) থেকে রাজ্যে পুরোদমে হেমন্তের আমেজ অনুভূত হবে এবং ১৮ নভেম্বরের পর থেকে রাত ও ভোরের দিকে ঠান্ডার জন্য হালকা শীতের পোশাকের প্রয়োজন পড়তে পারে।
‘গর্বের সঙ্গে বলছি, আমি ডিমাগি নকশাল!’ জামিয়া-জেএনইউ ইস্যুতে কেন্দ্রকে নিশানা নাসিরুদ্দিনের
বাংলায় নয়া পাওয়ার প্ল্যান্টের পরিকল্পনায় ৮০ হাজার কোটি বিনিয়োগের পরিকল্পনা বেদান্ত গোষ্ঠীর