শিলান্যাস হয়েছে, ফেরেনি বেহাল পথের শ্রী - 24 Ghanta Bangla News
Home

শিলান্যাস হয়েছে, ফেরেনি বেহাল পথের শ্রী

Spread the love

এই সময়, চন্দ্রকোণা: কোনও উৎসব-অনুষ্ঠানে আত্মীয়-স্বজনদের ডাকতে পারেন না। কারণ, রাস্তা বলতে যা বোঝায় তার অস্তিত্ব গ্রামে নেই বললেই চলে। তাই নিজেরা নিত্য দুর্ভোগ পোহালেও অতিথিদের বিপাকে ফেলতে চান না। গ্রামের বেহাল রাস্তা নিয়ে এমন অভিযোগ অনেকের। এমনকী বাড়িতে কেউ অসুস্থ হলে খানাখন্দে ভরা রাস্তা পেরিয়ে কী ভাবে তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছবেন, ভেবে কুল পান না পরিবারের লোকজন। গ্রামে কোনও গাড়ি ঢুকতে রাজি হয় না।

চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের মনোহরপুর-২ পঞ্চায়েতের কুলদহ উত্তরপাড়া বুথে ২৮৯ নম্বর বুথে ভোটার রয়েছেন ১২৪৬ জন। চারশোর উপর বসতি। ২০০৮-এ বাম আমলে দু’টি মোরামের রাস্তা তৈরি হয়। ব্যস ওই পর্যন্তই। তৃণমূলের শাসনকালে সেই মোরামের রাস্তা পিচের হওয়া দূরে থাক, দ্বিতীয় বার মোরামও পড়েনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে আগে পথশ্রী-৪ প্রকল্পে এই দু’টি রাস্তা অন্তর্ভুক্ত হয়। ঘটা করে ফিতে কেটে, প্রকল্পের বোর্ড বসিয়ে দুটি রাস্তা ঢালাইয়ের জন্য শিলান্যাসও করা হয়। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোটের আগে তাঁদের সান্ত্বনা দিতেই ওই প্রকল্প বোর্ড বসিয়েছিল তৃণমূল সরকার। গীতারানি ঘোষ বলেন, ‘গরমে রাস্তা এবড়ো খেবড়ো থাকে। আর বৃষ্টি হলে এক হাঁটু কাদায় ডুবে যায়। বাড়ি থেকে বেরোতে ইচ্ছা করে না। মেয়ে-জামাই, আত্মীয়রা আমাদের বাড়ি আসতে চায় না।’

শিলান্যাসের পরেও কেন কাজ শুরু হলো না? এ বিষয়ে তৃণমূল পরিচালিত মনোহরপুর-২ পঞ্চায়েতের প্রধান মাধুরী সিং দোলই দায় ঠেলেছেন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির দিকে। তাঁর দাবি, ‘রাস্তা দুটি যে খারাপ তা জানি। পথশ্রী-৪ প্রকল্পে পঞ্চায়েতের কোনও ভূমিকা নেই। এ কাজ পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে হয়। তারাই ভালো বলতে পারবে।’ যদিও পঞ্চায়েত সমিতির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে চন্দ্রকোণা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সুকান্ত দোলই দ্রুত নতুন রাস্তা তৈরির আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পথশ্রী-৪ প্রকল্পের বোর্ড বসিয়ে শিলান্যাসের পরেও কেন রাস্তা হলো না খোঁজ নেব। দ্রুত যাতে কাজ শুরু হয় তার ব্যবস্থা করা হবে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *