আবর্জনা পরিষ্কারে সমস্যা, পুর কমিশনারের কাছে পদ্ম - 24 Ghanta Bangla News
Home

আবর্জনা পরিষ্কারে সমস্যা, পুর কমিশনারের কাছে পদ্ম

Spread the love

এই সময়, শিলিগুড়ি: কয়েকদিন আগেই ভেঙে গিয়েছে শিলিগুড়ি পুরবোর্ড। প্রশাসক বসিয়ে চালানো হচ্ছে শিলিগুড়ি পুরসভা। এই আবহে শহরের বহু জায়গায় আবর্জনা সাফাই হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে রাস্তায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সমস্যার সমাধানের জন্য শুক্রবার পুরসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা বিজেপির অমিত জৈন এবং দলের কয়েকজন নেতা পুর কমিশনার বীরবিক্রম রাইয়ের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টিতে শিগগিরই হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন। অমিত বলেন, ‘শহের বেশ কয়েকটি জায়গায় সমস্যা হচ্ছে। সেই বিষয়গুলি এ দিন পুর কমিশনারকে জানানো হলো।’ তাঁর ব্যাখ্যা, ‘ওয়ার্ডগুলিতে এখন কাউন্সিলার না-থাকায় বহু সমস্যা কথা অজানাই থাকছে পুরসভার কাছে। ফলে অনেক সময়ে যোগাযোগের অভাবে এমন সব সমস্যা হচ্ছে, যেগুলো হওয়ারই কথা নয়।’ উদাহরণ দিতে গিয়ে বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি রাজু সাহা বলেন, ‘আমাদের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে আবর্জনা সাফাইয়ের কর্মী এবং ভ্যানের সংখ্যা কম।’

জানা গিয়েছে, শুধু ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে নয়, শহরের সংযোজিত ওয়ার্ড (৩১ থেকে ৪৪ নম্বর) এবং ৪, ৫. ১৮ এবং ২৮ নম্বর ওয়ার্ডেও এই ধরনের সমস্যা রয়েছে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, ‘বেশ কয়েকটি সংযোজিত ওয়ার্ডের অবস্থান ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে অনেকটা দূরে। বর্ষাকাল হওয়ার কারণেও কিছু ক্ষেত্রে আবর্জনা সাফাইয়ে দেরি হয়ে থাকতে পারে।’ শহরের হিলকার্ট রোড, বিধান রোড, সেবক রোড, এসএফ রোড, বাঘা যতীন পার্ক, বিধান মার্কেট, হাকিমপাড়া, রবীন্দ্রনগরের মতো এলাকায় সকাল-সন্ধ্যা মিলিয়ে দিনে দু’বার আবর্জনা সাফাই করা হয়। অবশিষ্ট এলাকায় বেলা পর্যন্ত আবর্জনা পড়ে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রবি সরকার বলেন, ‘হায়দারপাড়া বাজার এলাকায় অধিকাংশ দিনই বেলা ১টা পর্যন্ত আবর্জনা পড়ে থাকে।’

এ ক্ষেত্রে পুরসভার বক্তব্য, সাফাইকর্মী হিসেবে নিযুক্ত ‘নির্মল সাথী’ ও ‘নির্মল বন্ধু’দের অধিকাংশই শহরের বাইরে থেকে কাজে আসেন। সকালে বৃষ্টি হলে তাঁদের কাজে যোগ দিতে দেরি হয়। বর্তমানে পুরসভায় ১২৪ জন ‘নির্মল সাথী’ এবং ৬৮০ জন ‘নির্মল বন্ধু’ নিযুক্ত রয়েছেন। প্রতি ওয়ার্ডে ২০০টি বাড়ি-প্রতি একটি করে সাফাই গাড়ি এবং একজন করে ‘নির্মল বন্ধু’ দায়িত্বে রয়েছেন। চলতি বছর থেকে শুরু হওয়া জনগণনার কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ‘নির্মল সাথী’ ও ‘নির্মল বন্ধু’দের। ফলে সেই কাজের ট্রেনিং নিতে গিয়ে অনেক সময়ে তাঁরা সাফাইয়ের কাজে যোগ দিতে পারছেন না। এসবের ফলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রতিক্রিয়া জানতে পুর কমিশনারকে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *