আয়ুষ হাসপাতালের পরিষেবা উন্নয়নে উদ্যোগী বিধায়ক
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বর্তমানে ওপিডি–তে রোগীর ভিড় বাড়ছে। ইন্ডোর পরিষেবা চালু হলে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়বে। মেদিনীপুর আয়ুষ হাসপাতালে বর্তমানে মাত্র দু’জন স্থায়ী নার্স রয়েছেন। স্থায়ী চিকিৎসক নেই। জেলার অন্য হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের সপ্তাহে দু’দিন এখানে নিয়ে এসে ওপিডি চালু রাখা হয়েছে। পুরোপুরি ভাবে হাসপাতাল চালু করতে গেলে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী মিলিয়ে প্রায় ৮৫ থেকে ১০০ জন স্থায়ী–অস্থায়ী কর্মীর প্রয়োজন। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী–সহ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার আয়ুষ হাসপাতালের উপরে গুরুত্ব দিয়েছেন। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আয়ুষ হাসপাতাল স্বমহিমায় চালু হবে।’ বিধায়ক বলেন, ‘আয়ুষ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীও আয়ুষ হাসপাতালগুলি নিয়ে সরকারের লক্ষ্য কী, তা জানিয়েছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মেদিনীপুরের এই হাসপাতালকে পূর্ণাঙ্গভাবে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে। হাসপাতালের বর্তমানে যে যে সমস্যা রয়েছে সেগুলি তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন।