শিলিগুড়ির মেয়র পদে ইস্তফা দিলেন গৌতম, দল ছাড়লেন বালুও
ভোটে ভরাডুবির পরে একে একে মমতাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তাঁর পুরোনো সঙ্গীরা। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন যে দু’জন মন্ত্রীকে প্রায় সব অনুষ্ঠানে নেত্রীর দু’পাশে দেখা যেত তাঁরা হলেন, ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাস। তাঁদের সাম্প্রতিক কার্যকলাপ থেকেও স্পষ্ট যে ওই দু’জনও আর ‘দিদি’র সঙ্গে নেই। মমতার আস্থাভাজনদের তালিকায় ফিরহাদ–অরূপের পাশাপাশি জ্বলজ্বল করত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (বালু) নামও। কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল তৈরি করার আগেও ‘দিদি’র ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন বালু। রেশন দুর্নীতি মামলায় জেল থেকে বেরিয়ে গত বিধানসভা ভোটে হাবড়া কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। তাঁর হয়ে প্রচারেও গিয়েছিলেন মমতা। তিনি প্রকাশ্যেই দাবি করেছিলেন, তৃণমূল সরকারে বালুর মতো ভালো কাজ অন্য কোনও মন্ত্রী করতে পারেননি। সেই বালুই শুক্রবার মমতার দল ছাড়লেন। তাঁর কথায়, ‘দল জানে আমার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। যে পদগুলিতে আছি, সেগুলি ছেড়ে দিলাম। আমার পক্ষে সম্ভব নয়। শরীর ভালো নেই। হাই সুগার। কিডনিও খারাপ হয়ে গিয়েছে।’ খাতায়–কলমে তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য তালিকায় বালুর নাম ছিল। তিনি কি শুধু সেই পদ থেকে অব্যাহতি নিলেন? নাকি তৃণমূল–ই ছেড়ে দিলেন? বালুর ব্যাখ্যা, ‘ওই একটা পদেই আমি ছিলাম। সেটাও ছেড়ে দিলাম। তা হলে আর দলে থাকলাম কোথায়? আমি মনে করি, আমার থাকা উচিত নয়।’