কেন গোপন ইরান চুক্তি? ‘পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাই নেই’, চরম কটাক্ষ ভ্যান্সের
ওয়াশিংটন: আমেরিকা-ইরান ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির শর্ত প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে কেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন মার্কিন…
ওয়াশিংটন: আমেরিকা-ইরান ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির শর্ত প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে কেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স (JD Vance)। পরিস্থিতি হালকা করতে তিনি রসিকতা করে বলেন, “পাকিস্তান এবং কাতারের সিস্টেমে আমেরিকার মতো ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট বা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই।”
এদিকে, পশ্চিমএশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে এবং ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ড পাড়ি দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। লেবাননে নতুন করে সংঘর্ষের জেরে ভ্যান্স তাঁর নিজের সফর বাতিল করার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার ফ্রান্সে জি-৭ (G7) সামিটের পর ভার্সাই প্রাসাদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে নৈশভোজ সারেন ট্রাম্প। এরপরই মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত মেটাতে ১৪ দফার একটি সমঝোতাপত্রে (MoU) স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
কী রয়েছে এই চুক্তিতে?
অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় ছাড় পাওয়ার বিনিময়ে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম লঘু করতে রাজি হয়েছে।আমেরিকার তরফ থেকে তেহরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পুনর্গঠন তহবিল দেওয়া হবে এবং আটকে থাকা ইরানি সম্পত্তি ছেড়ে দেওয়া হবে।
লেবানন-সহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শুক্রবারই লেবাননে ইজরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। এবার ট্রাম্পের উদ্যোগে সেই অচলাবস্থা কাটতে চলেছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।