Birbhum: টেট নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বীরভূমের শিক্ষকের - Bengali News | Birbhum Supreme Court verdict on TET, Birbhum teacher dies of heart attack - 24 Ghanta Bangla News
Home

Birbhum: টেট নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বীরভূমের শিক্ষকের – Bengali News | Birbhum Supreme Court verdict on TET, Birbhum teacher dies of heart attack

Spread the love

বাঁদিকে মৃত শিক্ষক, ডান দিকে তাঁর ছেলেImage Credit: TV9 Bangla

 বীরভূম: টেট নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়! তাতেই বাড়ে মানসিক চাপ। তারপরই মৃত্যু। বীরভূমের এক প্রাথমিক শিক্ষকের মৃত্যু ঘিরে চাপানউতোর। মৃতের নাম গিয়াসউদ্দিন সেখ। তাঁর বাড়ি বীরভূমের নলহাটি থানার বাঁধখেলা গ্রামে। তিনি মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম ব্লকের বরকতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সমস্ত শিক্ষককে টেট উত্তীর্ণ হতে হবে।  সুপ্রিমকোর্টের এই নির্দেশের পরে রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে যায় শিক্ষক সমাজে।

পরিবারের দাবি, সেই রায়ের পরেই দুশ্চিন্তা ও মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন গিয়াসউদ্দিন সেখ। মঙ্গলবার রাতে ঘুমের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু গয় গিয়াসউদ্দিনের। ৩৯ বছর বয়সী গিয়াসউদ্দিন শেখ ২০১০ সালে শিক্ষকতার চাকরিতে যোগ দেন। বাড়িতে তাঁর বাবা, মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।

পরিবারের একমাএ উপার্জনশীল ছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, তাঁদের পরিবারের কাউকে একটি চাকরি দেওয়া হোক। মৃত শিক্ষকের বাবা বলেন, “কিছুদিন আগেই খবর পায়, তারপর থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। সারাদিন চিন্তা করত। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিল। নাবালক ছেলেমেয়ে রয়েছে। বৌমাও গৃহবধূ। ওর ওপরেই সংসার চলত। ওর ছেলে কিছুদিনের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করবে। আমি চাই ওকে অন্তত পক্ষে একটা চাকরি দেওয়া হোক।”

শিক্ষকের মা বলেন, “টেট নিয়ে নির্দেশ আসার পর থেকেই চিন্তা করত। সকালে ঠিক ছিল। তারপর ঘুমের মধ্য়েই শেষ হয়ে গেল। সকালে আমি লেবুর রসও করে দিই, খেল। কিন্তু চিন্তা যে ওকে গ্রাস করেছিল।”

প্রসঙ্গত, সপ্তাহ দুয়েক আগে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, শিক্ষকতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য টেট উত্তীর্ণ হতেই হবে। শুধু তা-ই নয়, পদোন্নতির জন্যও টেট উত্তীর্ণ বাধ্যতামূলক। প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ কার্যকর বলে স্পষ্ট করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।  নির্দেশের পরই তৎপর হল এ রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে এ বার তারা জেলায় জেলায় কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তথ্য চেয়ে পাঠায়। পরিবারের দাবি, এই নির্দেশের পর থেকেই গিয়াসউদ্দিন চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *