Diet Habit: এইসব খাওয়া বন্ধ করলেই বাড়বে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, পরিষ্কার থাকবে পেটও! – Bengali News | Baba Ramdev share right way to eat food ayurvedic diet Tips to Stay healthy
সুস্থ থাকতে গেলে সঠিক সময়ে ও সঠিক পরিমাণে খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক খাদ্য আমাদের শুধু শক্তি যোগায়, এমন নয়। বরং, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য খাবারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে শরীর সুস্থ রাখতে কী খাচ্ছেন সেটাই শেষ কথা নয়। একই সঙ্গে, কীভাবে খাচ্ছেন ও সেই খাবার কীসের সঙ্গে খাচ্ছেন, তা সেটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে খাবারের সঙ্গে যা খাওয়া উচিত নয়, তা খেলে গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, এমনকি ত্বকের মারাত্মক সমস্যাও হতে পারে।
পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা যোগগুরু বাবা রামদেব এই বিষয়ে স্পষ্ট দিশা দেখিয়েছেন। তিনি একটি ইউটিউব ভিডিয়ো প্রকাশ করে জানিয়েছেন কীভাবে খাওয়া দাওয়া করা উচিত। তাঁর মতে, একজন মানুষের ঋতভুক, হিতভুক ও মিতভুক হওয়া দরকার। অর্থাৎ, ঋতু, শরীরের প্রকৃতি ও পরিমাণের দিকে নজর রেখে খাবার খেতে হবে।
দুধ-দই কখন খাবেন, কখন নয়?
যে কোনও খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পর জল খাওয়া উচিত। দুধ খাওয়ার ক্ষেত্রেও এই একই নিয়ম প্রযোজ্য। আবার রাতে খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুধ নয়, বরং এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে দুধ খেতে বলছেন বাবা রামদেব। তিনি বলছেন, দই খাওয়ার সেরা সময় সকাল, আর দুপুরবেলা আপনি ছাঁচ বা Buttermilk খেতে পারেন। কিন্তু রাতে দই বা ঘোল খাওয়া একদম ঠিক নয়।
তবে দুধের সঙ্গে কোনও রকম নোনতা জিনিস যেমন নোনতা বিস্কুট খাওয়া একেবারে উচিত নয়। একইভাবে টক ফল বা তরমুজ, ফুটি জাতীয় ফলও দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে হবে না। এগুলি শরীরে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়।
খাবার শুরু করার সঠিক সিকোয়েন্স কী?
হালকা খাবার আগে খাবেন, নাকি ভারী খাবার? সেই নিয়েও দ্বিধা কাটিয়ে দিয়েছেন বাবা রামদেব। তিনি বলছেন, কাঁচা শসা, স্যালাড ও ফল খাওয়া উচিত। এগুলি সাত্ত্বিক খাবার, যা শরীরকে টক্সিন-মুক্ত রাখে।
এর পর তিনি ভাত বা রুটি এবং সবশেষে মিষ্টি জাতীয় ভারী খাবার খাওয়ার কথা। অর্থাৎ, হালকা থেকে ভারী—এই ক্রমানুসারে খেতে হবে। সবুজ শাকসবজি বেশি সেদ্ধ করে খেলে হবে না। সেদ্ধ করলে ভিটামিন সি-এর মতো জরুরি পুষ্টি নষ্ট হয়ে যায়। তাই স্যালাড খাওয়াই ভাল। প্রয়োজনে সর্ষের তেল দিয়ে তৈরি চাটনি দিয়ে স্যালাড খেতে পারেন। এটি হজমে সাহায্য করে। এই কয়েকটি ঘরোয়া পরিবর্তনই আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষিত করতে পারে।