IND W vs AUS W: অজিদের ৪১৩-র জবাবে ৩৬৯! মেয়েদের ক্রিকেটে ধুন্ধুমার – Bengali News | Smriti mandhanas ton in vain as india lose womens odi series 1 2 to australia
পুরুষদের ক্রিকেটে ৪৩৪ বনাম ৪৩৮ ম্যাচটি মনে পড়ে? বিশ্ব ক্রিকেটে মহাকাব্যিক ম্যাচ হয়ে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ৪৩৪-র জবাবে ৪৩৮ করে ম্যাচ জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ান ডে ক্রিকেটে আরও একটি এমন মহাকাব্য়িক ম্যাচ হতে পাড়ত। অল্পের জন্য় পিছিয়ে পড়ল ভারত। লড়াইটা অবশ্য মনে রাখার মতো। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৪১৩ রান তাড়া করতে নেমে ৩৬৯ করে ভারতীয় দল। হাতে দু-একটা উইকেট থাকলে এই রান তাড়া করে জিততেই পারত। রান তাড়ায় রেকর্ড ইনিংস স্মৃতি মান্ধানার। টানা দ্বিতীয়, সব মিলিয়ে কেরিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি। স্মৃতির সামনে এখন শুধুই মেগ ল্য়ানিং।
দেশের মাটিতে ওয়ান ডে বিশ্বকাপ। তার আগে প্রস্তুতির জন্য় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলল ভারত। প্রথম ওয়ান ডে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচে বিশাল ব্য়বধানে জিতে সমতা ফিরিয়েছিল ভারত। সেঞ্চুরি করেছিলেন স্মৃতি মান্ধানা। সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে থাকল। ক্যান্সার সচেতনায় এ দিন গোলাপি জার্সিতে মাঠে নামেন হরমনপ্রীতরা। তেমনই মাঠে নেমেও দুর্দান্ত লড়াই।
টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ক্যাপ্টেন অ্যালিসা হিলি মাত্র ১৮ বলে ৩০ রান করেন। তিনি ফিরলেও আর এক ওপেনার জর্জিয়া ভল ৬৮ বলে ৮১ রান করেন। অজি ব্যাটাররা সকলেই বিধ্বংসী ব্য়াটিং করছিলেন। দিল্লির পিচে রান ওঠে প্রচুর আইপিএলেও তা দেখা গিয়েছে। এই ম্যাচেও তাই দেখা গেল। অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার ব্য়াটার বেথ মুনি মাত্র ৭৫ বলে ১৩৮ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পর লোয়ার অর্ডারে বিপর্যয়। অস্ট্রেলিয়াকে ৪৭.৫ ওভারে ৪১২ রানে অলআউট করে ভারত।
বোর্ডে ৪১৩ রানের টার্গেট। ভারতীয় ব্যাটাররাও হাল ছাড়েননি। শুরুটা যদিও ভালো বলা যায় না। ওপেনার প্রতীকা রাওয়াল ও তিনে নামা হরলীন দেওল যথাক্রমে ১০ ও ১১ রান করে ফেরেন। ভাইস ক্যাপ্টেন স্মৃতি মান্ধানা মাত্র ৫০ বলে সেঞ্চুরি করেন। ভারতীয়দের মধ্য়ে এটিই দ্রুততম, মেয়েদের ক্রিকেটে দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। ৬৩ বলে ১২৫ রানে ফেরেন স্মৃতি মান্ধানা। তাঁর ইনিংসে ১৭টি বাউন্ডারি এবং ৫টি ওভার বাউন্ডারি। ভারতকে দৌড়ে রাখেন দীপ্তি শর্মা। উল্টোদিক থেকে উইকেট পড়লেও চেষ্টা চালিয়ে যান। ৫৮ বলে ৭২ রানে ফেরেন দীপ্তি। এরপর অবশ্য আশা কমতে থাকে। এই ম্যাচটি তারপরও ঐতিহাসিক হয়েই থাকবে।