‘ঘড়ি বেঁধে পড়া নয়…’, উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় শুভায়নের সাফল্যের সিক্রেটটা কী?
শুভায়ন জানায়, ঘড়ি ধরে নির্দিষ্ট সময়ে পড়া নয়, বরং সে কোয়ালিটি পঠনপাঠনেই বিশ্বাসী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সে বলে, ‘যতক্ষণ পড়ায় মন বসত, ততক্ষণ পড়তাম। দিনে ঘড়ি ধরে পড়ার ব্যাপার ছিল না।’ বাবা সংস্কৃতের শিক্ষক। পড়াশোনায় সাহায্য করতেন বাবা-মাও। তবে প্রত্যেক সাবজেক্টে একজন গৃহশিক্ষক ছিল শুভায়নের।
নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব সিউড়ির এই মেধাবী পড়ুয়া বাবা-মা, গৃহশিক্ষক ও স্কুলের শিক্ষকদেরই দিচ্ছেন। ছোটবেলা থেকেই চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন শুভায়নের। এখন সেই লক্ষ্যেই আগামীর প্রস্তুতি নিচ্ছে সে।