Income Tax: ১ এপ্রিল থেকে আর পাবেন না ফর্ম-১৬, তাহলে আয়কর জমা দেবেন কী করে?

নয়া দিল্লি: আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) জমা দেন? তাহলে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট রয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে বদলে যেতে চলেছে আয়কর জমা দেওয়ার নিয়ম। আপনি যদি নিজের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য অফিস বা যে সংস্থায় কাজ করেন (employer), তাদের ইস্যু করা ফর্ম-১৬ (Form-16)-র অপেক্ষা করেন, তাহলে কিন্তু এই ফর্ম নাও পেতে পারেন। আগামী ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে নতুন আয়কর আইন ২০২৬। এর জেরে বদলে যাচ্ছে আইটিআর ফর্ম, বাদ পড়ছে সবার চেনা ফর্ম-১৬। তাহলে এর বদলে কোন ফর্ম ফিল আপ করতে হবে?
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়মে এই বদলগুলি আনা হচ্ছে আয়কর জমা দেওয়ায় ভুল-ভ্রান্তি কমাতে এবং সাধারণ মানুষের যাতে সুবিধা হয়, তার জন্য। ফর্ম ১৬-র বদলে এবার থেকে পূরণ করতে হবে ফর্ম ১৩০। এটি টিডিএস সার্টিফিকেট হিসাবে কাজ করবে, তবে এর ফরম্যাট আরও তথ্য নির্ভর হবে।
জানা গিয়েছে, ফর্ম ১৩০-এ মোট তিনটি পার্ট থাকবে। প্রথম অংশে এমপ্লয়ার ও এমপ্লয়ির যাবতীয় তথ্য থাকবে। দ্বিতীয় অংশে বেতন ও কত ট্যাক্স ডিডাকশন বা কর ছা়ড় পাওয়া যাচ্ছে, তা লেখা থাকবে। তৃতীয় অংশে সম্পূর্ণ আয়করের হিসাব থাকবে।
নতুন ফর্মে আপনার বেতনের যেমন সম্পূর্ণ বিভাজন করা থাকবে, তেমনই ট্যাক্স ডিডাকশন ও এক্সেমশন, কতটা আয়ের ভিত্তিতে আয়কর দিতে হবে- এই সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তথ্য থাকবে। টিডিএস ও টিসিএসের হিসাব থাকবে।
ফর্ম ১৬-র বদলে ফর্ম ১৩০ বদলে একাধিক প্রভাব পড়বে। বিনিয়োগকারী যারা, তাদের ক্য়াপিটাল গেইন রিপোর্ট আরও নির্ভুলভাবে দিতে হবে। এনআরআই এবং যারা বিপুল আয় করেন, তাদের ক্ষেত্রে সম্পত্তির ডিসক্লোজার নিয়মও আরও কঠোর হবে। অন্যদিকে, প্রবীণ নাগরিকদের পেনশন ও কোনও বিনিয়োগের সুদ থেকে আয় কত, তা রিপোর্ট করতে সুবিধা হবে।
আয়কর দফতর সূত্রে খবর, TRACES পোর্টালের মাধ্যমে ফর্ম ১৩০ তৈরি বা জেনারেট করা হবে। আলাদাভাবে বা ম্যানুয়ালি এই ফর্ম দেওয়া যাবে না।
আয়করদাতাদের কী সুবিধা হবে?
- রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগে থেকেই যাবতীয় তথ্য ( pre-filled information) পূরণ করা থাকবে।
- অটো-ভ্যালিডেশন চেক থাকবে।
- আয়ের রিপোর্ট ও ট্যাক্স রেকর্ডের মধ্যে কোনও অসামঞ্জস্য থাকলে, তা সহজেই বোঝা যাবে।