School: জলের ট্যাঙ্কের ভিতরে মরা কুকুর ছানা, সেই জলই পান করল স্কুলের বাচ্চারা - Bengali News | The school children drank the dead puppy inside the water tank in Purulia - 24 Ghanta Bangla News
Home

School: জলের ট্যাঙ্কের ভিতরে মরা কুকুর ছানা, সেই জলই পান করল স্কুলের বাচ্চারা – Bengali News | The school children drank the dead puppy inside the water tank in Purulia

Spread the love

এই ট্যাঙ্কের ভিতরে মরা কুকুর ছানা ছিল
Image Credit source: Tv9 Bangla

পুরুলিয়া: জল ট্যাঙ্কের পাশ থেকে বিচ্ছিরি রকমের দুর্গন্ধ বেরচ্ছিল। তবে কোথা থেকে আসছিল তা বোঝা দায়। এ দিকে সেই জলই পান করছিল স্কুলের পড়ুয়ারা। কিন্তু গন্ধ কোথা থেকে বেরলো সেটা জানার জন্য ট্যাঙ্ক খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়। কেউ বা কারা স্কুলের জলের ট্যাঙ্কের ভিতর ফেলে রেখে গিয়েছে মরা কুকুর। আর সেই জলই পান করেছে পড়ুয়ারা। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়।

ঘটনাটি ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লবপুর দু নম্বর ব্লকের আমদাপাল জুনিয়র হাইস্কুলের। এদিন এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষুব্ধ এলাকার অভিভাবকরা। এলাকাবাসী অভিযোগ, গত দুদিন আগে জলের ট্যাঙ্কে কুকুরের মরা বাচ্চা ফেলে রেখে গিয়েছিল। অথচ সেই ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করাই হয়নি। পড়ুয়ারা নিজের অজান্তেই পান করেছে জল। এরপর দুর্গন্ধ ছড়াতেই খোলা হয় ট্যাঙ্ক। তখনই খোলসা হয় সবটা।

এলাকাবাসীর দাবি, স্কুলে নেই কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাতের অন্ধকারে বসে সমাজ বিরোধিদের আখড়া। অভিভাবকদের অভিযোগ, এই জল পানের পর যদি বাচ্চাদের শরীর খারাপ হয় তার দায় কে নেবে? ঊষ্ম মহাপাত্র নামে এক অভিভাবক বলেন,”কুকুর বাচ্চা কে বা কারা ফেলেছে জানি না। বাচ্চারা জল খেতে গিয়ে দেখছে গন্ধ বেরচ্ছে। তখন বাচ্চাগুলোকে ট্যাঙ্কের ভিতরে কী আছে দেখার জন্য মাস্টার মশাই উপরে পাঠিয়ে দেয়। এখন যদি ওদের কিছু হত তার দায় কে নিত?” স্কুলের নিরাপত্তায় সিভিক ভলান্টিয়র বসানোরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বেলিয়াবাড়া থানার পুলিশ। অভিভাবকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতিতে সামাল দেয়।

ঘটনার বিষয়ে ঝাড়গ্রামে ডিপিএসসি চেয়ারম্যান জয়দীপ হোতা জানান, “কুকুরের বাচ্চা তো নিজে এসে পড়ে যায়নি। কেউ ইচ্ছা করে এই কাজ করেছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। যে বা যারা এই কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *