Abhishek Banerjee: ‘আপনি মানুষের চাকর’, পুলিশের দিকে আঙুল উঁচিয়ে তেড়ে গেলেন অভিষেক! | You are Public Servant, TMC MP Abhishek Banerjee Gets in Heated Argument with Police after Chaos outside his Home
পুলিশের দিকে তেড়ে গেলেন অভিষেক।Image Credit: TV9 বাংলা
কলকাতা: অভিষেকের জন্মদিনে তুমুল উত্তেজনা। মিডনাইট বার্থডে সেলিব্রেশন বদলাল উত্তেজনা-সংঘর্ষে! পুলিশের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদ অভিষেকের (Abhishek Banerjee)। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীদের রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে। আধলা ইট ছুড়ে মারা হয়েছে। পুলিশ বিজেপি কর্মীদের ধরছে না।
কার্যত রণক্ষেত্র কালীঘাট। রাতভর উত্তপ্ত পরিস্থিতি। রাত দুটোয় অভিষেকের বাড়ির সামনে চোর স্লোগান দেওয়াকে ঘিরে উত্তেজনা শুরু হয়। অভিষেকের সমর্থক বনাম বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের লড়াই চলে। অভিষেকের ব্যানার, পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই অভিষেক নেমে আসেন। নিজে বাড়ির বাইরে এসে পুলিশের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন।
অভিষেককে বাড়ির সামনে থেকে উঠে যেতে বলা হলে রেগে যান অভিষেক। মেজাজ হারিয়ে অভিষেক বলেন, “আমি জায়গা খালি করব না। এখানেই বসব। এটা কি আপনার পৈত্রিক সম্পত্তি?”। পুলিশও পাল্টা বলেন, “আমার পৈত্রিক নয়, এটা কারোর পৈত্রিক সম্পত্তি নয়, তাই বলছি”। এই কথা শুনেই আরও ক্ষিপ্ত হন অভিষেক। রীতিমতো তেড়ে গিয়ে বলেন, “শুনুন আপনি পাবলিক সার্ভেন্ট। আমি পাবলিক রিপ্রেজেন্টেটিভ। আপনি মানুষের চাকর। আমি মানুষের নির্বাচিত প্রতিনিধি।”
অভিষেককে বাড়িতে ঢুকতে বলা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ফের একবার বচসা হয়। পুলিশকেও মেরেছে বিজেপি কর্মীরা, এমনটাই অভিযোগ করেন। পুলিশের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, “আমাদের ছেলেদের তুলছেন কীভাবে? রাত আড়াইটের সময় তাণ্ডবলীলা চালানো হচ্ছে? আপনারা নীরব দর্শকের মতো দেখবেন। আপনারা ভাবছেন আমরা কিছু দেখিনি? ভিডিয়ো রেকর্ড করে রাখিনি? বারবার ওরা আসবে, আপনারা ওদের সুযোগ দেবেন! পৈত্রিক সম্পত্তি নাকি, কেউ বাইরে বসবে না। ওরা তাহলে কোথায় দাঁড়িয়ে? নিজস্ব প্রপার্টিতে দাঁড়িয়ে? আপনারা ন্যাকামো মারছেন? শুনুন এই যে এটা (ব্যাচ) পরে আছেন, এটা পদ্মফুল নয়, দালালিটা কম করুন। আপনি আমাদের একটা ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়েছেন। ১৫ মিনিটের মধ্যে যদি না ছাড়েন, আমি থানার বাইরে গিয়ে বসব।”
পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, “আজ পরিকল্পিতভাবে এরা হত্যা করার জন্য এসেছিল। এমনকী রিভলভার নিয়ে, আমাদের একজন সহকর্মী আছে তাপস বলে, তার বুড়ো আঙুলের পাশে টিস্যুগুলো থেঁতলে গিয়েছে। আমি স্টিচিংয়ের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ডাক্তার বলেছে, স্টিচ করে হবে না। প্লাস্টিক সার্জারি করতে হবে। কারোর চোখের নিচের হাড় ভেঙে গিয়েছে। এত বড় বড় পাথর-আধলা ইট ছুড়ে মেরেছে। পুরোটা পুলিশের সামনে হয়েছে। এটা আমার উপরে প্রথম আক্রমণ নয়। সোনারপুর থেকে শুরু করে ১৯ জুন, আমি যখন দিল্লি থেকে ফিরি, আমায় বন্দুক নিয়ে খুন করতে গিয়েছিল। আমাদের কর্মীরা হাতেনাতে ধরেছিল। আমরা অভিযোগ জানিয়েছি। কোনও ব্যবস্থা পুলিশ নেয়নি।”