স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে রেডিওলজিস্টের অপেক্ষা নয়
দীপ্তেন্দ্র ও পার্থর পাশাপাশি গবেষণায় যুক্ত ছিলেন ডি কৃষ্ণনাধা পাই, হর্ষ গঙ্গাধরন, রিচার্ড মুওয়ঙ্গে, এরিক লুকাস, ভিসি রবীন্দ্রন, সৃজা বসু, ময়ূখ সজ্জন, ফরিদা সেলমৌনি, আন্দ্রে এল কারভালহো, অনিতা গাডগিল ও সুরিতা কান্থারিয়া। গবেষণাটিতে অর্থ সাহায্য করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি)। গবেষণায় ৪০ থেকে ৭৫ বছর বয়সি ৩১৯ জন মহিলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১৪৯ জনকে গ্রামীণ এলাকায় প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এবং ১৭০ জনকে কলকাতার পিজি-র চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছিল। প্রশিক্ষিত নন-রেডিওলজিস্ট চিকিৎসকেরা হাতে ধরা প্রোব দিয়ে পরীক্ষা করেন। ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার করেন মোবাইল ও ট্যাব। ফলাফলে দেখা যায়, ক্যান্সার শনাক্তকরণে যন্ত্রটির সংবেদনশীলতা বা সেনসিটিভিটি (ঠিক রোগ ধরা) ৯৪.৪ শতাংশ এবং নির্দিষ্টতা বা স্পেসিফিসিটি (ভুল না করা) ৭৬.৭ শতাংশ। স্ক্রিনিংয়ের সময়ে শনাক্ত হওয়া ৩৭টি ক্যান্সারের একটিও বাদ পড়েনি চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষায়। সব মিলিয়ে অপ্রয়োজনীয় রেফারেলের সংখ্যা এতে কমে যায় প্রায় ৫০ শতাংশ। এই প্রোবের সঙ্গে ট্যাব বা স্মার্টফোন যুক্ত করে স্তনের সন্দেহজনক অংশের ছবি দেখা যায়। ছোট, বহনযোগ্য এবং তুলনায় কম খরচের এই যন্ত্র চালাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ বা ইন্টারনেট সংযোগও অপরিহার্য নয়। গবেষণায় যাঁরা পরীক্ষা করেছেন, তাঁদের আগে আলট্রাসাউন্ড করার অভিজ্ঞতা ছিল না। প্রশিক্ষণ ও বিশেষজ্ঞের রিমোট পরামর্শের মাধ্যমে তাঁরা দক্ষতা অর্জন করেন।