সরকারের ‘সদিচ্ছার অভাব’, মধ্যরাত থেকেই আমরণ অনশনে চাকরিহারা শিক্ষকরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

সরকারের ‘সদিচ্ছার অভাব’, মধ্যরাত থেকেই আমরণ অনশনে চাকরিহারা শিক্ষকরা

Spread the love

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরি হারিয়েছেন কয়েক হাজার শিক্ষক। চাকরি হারিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তায় আন্দোলন। এতদিনেও সুরাহা না মেলায় এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন এসএসসি মামলায় চাকরিচ্যুত ‘যোগ্য’ শিক্ষক ও শিক্ষিকারা। মধ্যরাত থেকে আমরণ অনশন শুরু করলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

আরও পড়ুন: ‘আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলতে দেব না’ শিক্ষকদের ফেরানোর দাবিতে বিক্ষোভ পড়ুয়াদের

এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও যখন কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে না আসায় এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সংগঠন ‘যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ’। শিক্ষকদের মূল দাবি হল- রিভিউ ও কিউরেটিভ পিটিশনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনও ফর্ম ফিলআপ বা পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে না। ওএমআর শিট ও প্রার্থী তালিকার ‘মিরর ইমেজ’ প্রকাশ করতে হবে। প্যানেলের মাধ্যমে পুনরায় যাচাই করে যোগ্যদের নাম ঘোষণা করতে হবে। তালিকা প্রকাশ করে তা সরকারি স্বীকৃতি দিতে হবে। যাঁরা বর্তমানে স্কুলে যাচ্ছেন, তাঁদের তালিকাও জনসমক্ষে আনতে হবে।

উল্লেখ্য, আগামী ১৬ জুন থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি-র নতুন ফর্ম ফিলআপ। আন্দোলনকারীরা চান, আইনি প্রক্রিয়া নিষ্পত্তির আগে সেই প্রক্রিয়া স্থগিত করা হোক। বৃহস্পতিবার দুপুরে এসএসসি ভবনের সামনে জমায়েত করেন চাকরি হারা শিক্ষকরা। দাবি ছিল, চেয়ারম্যানের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে দিতে হবে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আট জনের একটি প্রতিনিধি দল দেখা করতে পারবেন। সেইমতো চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক চলে প্রায় তিন ঘণ্টা। তবে বৈঠকের শেষে আন্দোলনকারীরা জানান, কোনও আশ্বাস বা প্রতিশ্রুতি তাঁদের দেওয়া হয়নি।

এরপরেই চাকরিহারা শিক্ষকরা আমরণ অনশনের সিদ্ধান্ত নেন। রাত ১২টা থেকে শুরু হয়েছে সেই অনশন, যেখানে প্রথম দফায় অংশ নিয়েছেন ছ’জন শিক্ষক ও ছ’জন শিক্ষিকা। অনশনস্থল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে হাই কোর্টের নির্দেশে নির্ধারিত মঞ্চ।

যোগ্য আন্দোলনের তরফে শিক্ষক অমিতরঞ্জন ভুঁইয়া জানান, তাঁরা পরীক্ষায় বসতে চান না। সরকার তাঁদের দাবিগুলি নিয়ে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ নিচ্ছে না। রিভিউ ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া মেনে নেওয়া যাবে না।তাঁদের মতে, সরকারের ভুলে তাঁরা চাকরি হারিয়েছেন, তাই সমাধানও আসা উচিত সঠিক যাচাইয়ের মাধ্যমে, নতুন পরীক্ষা নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *