Bajaj-এর নতুন ডুয়াল-স্পোর্টস বাইকে ৬-স্পিড গিয়ারবক্স, সামনে এল নতুন তথ্য - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bajaj-এর নতুন ডুয়াল-স্পোর্টস বাইকে ৬-স্পিড গিয়ারবক্স, সামনে এল নতুন তথ্য

Spread the love

গুরুগাঁও: ডুয়াল-স্পোর্টস মোটরসাইকেলের বাজারে প্রথমবার পা রাখতে চলেছে Bajaj Auto। সংস্থার আসন্ন নতুন বাইকটি ফের পরীক্ষার সময় ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। এবারের স্পাই ছবিতে বাইকটির সাসপেনশন, টায়ার…

গুরুগাঁও: ডুয়াল-স্পোর্টস মোটরসাইকেলের বাজারে প্রথমবার পা রাখতে চলেছে Bajaj Auto। সংস্থার আসন্ন নতুন বাইকটি ফের পরীক্ষার সময় ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। এবারের স্পাই ছবিতে বাইকটির সাসপেনশন, টায়ার এবং গিয়ারবক্স সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। পরীক্ষাধীন মডেলে ৬-স্পিড গিয়ারবক্স এবং পিছনে লিঙ্কেজ-সহ মনোশক সাসপেনশন দেখা গিয়েছে। ইঞ্জিনের ক্ষমতা প্রায় ৩০০cc হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

Bajaj-এর ব্রাজিল বিভাগের ম্যানেজিং ডিরেক্টর Waldyr Ferreira আগেই জানিয়েছিলেন, নতুন ডুয়াল-স্পোর্টস বাইক একাধিক ইঞ্জিন বিকল্পে আসতে পারে। ফলে বিভিন্ন বাজারের জন্য আলাদা ইঞ্জিন ক্ষমতার মডেল তৈরির পরিকল্পনা থাকতে পারে সংস্থার।

৬-স্পিড গিয়ারবক্সের ইঙ্গিত

নতুন স্পাই ছবিতে বাইকটির ৫ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে দেখা গিয়েছে। Bajaj-এর একাধিক সাম্প্রতিক মোটরসাইকেলে এই ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে নতুন সুইচগিয়ার। ডিসপ্লের বাঁ দিকে গিয়ার পজিশন ইন্ডিকেটরে স্পষ্টভাবে ৬ নম্বর দেখা যাচ্ছে। এর ফলে পরীক্ষাধীন বাইকটিতে ৬-স্পিড গিয়ারবক্স থাকার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত।

আগের রিপোর্টে অনুমান করা হয়েছিল, বাইকটির ইঞ্জিন Pulsar N250-এর ইউনিটের উপর ভিত্তি করে তৈরি হতে পারে। সম্প্রতি N250-তে চার-ভালভ হেড এবং নতুন ৬-স্পিড গিয়ারবক্স যুক্ত হয়েছে। সেই কারণে নতুন ডুয়াল-স্পোর্টস বাইকের ইঞ্জিন ও ট্রান্সমিশনের সঙ্গে N250-এর সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে দুটি ইঞ্জিন একেবারে একই হবে বলে মনে করা হচ্ছে না। পরীক্ষাধীন বাইকে আলাদা আপসুইপ্ট এক্সহস্ট দেখা গিয়েছে। ডুয়াল-স্পোর্টস মোটরসাইকেলের উপযোগী করে এক্সহস্টের অবস্থান ও পাইপের বিন্যাস বদলানো হয়েছে। পাশাপাশি অয়েল কুলারটি N250-এর মতো অনুভূমিকভাবে না বসিয়ে বাইকের বাঁ দিকে উল্লম্বভাবে রাখা হয়েছে।

সম্পূর্ণ নতুন ইঞ্জিন তৈরির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এটি ৪০০cc-র তুলনায় ২৫০cc ইঞ্জিনের কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ, Bajaj-এর বর্তমান ৪০০cc ইঞ্জিনটি নতুন GST কাঠামোর কারণে ৩৪৯cc করা হয়েছে এবং সেটি লিকুইড-কুলড। অন্যদিকে, পরীক্ষাধীন বাইকের ইঞ্জিনে এয়ার ও অয়েল কুলিং ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে।

পিছনে লিঙ্কেজ মনোশক সাসপেনশন

আগের স্পাই ছবিতে সামনের দিকে রাইট-সাইড-আপ টেলিস্কোপিক ফর্ক দেখা গিয়েছিল। তবে পিছনের সাসপেনশন ঢাকা থাকায় সেটি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। নতুন ছবিতে পিছনে লিঙ্কেজ-সহ মনোশক সাসপেনশন দেখা গিয়েছে।

ডুয়াল-স্পোর্টস বাইকের উপযোগী করে সাসপেনশনে দীর্ঘ ট্রাভেল রাখা হতে পারে। তবে সামনের ফর্কে অ্যাডজাস্টমেন্টের ব্যবস্থা থাকার ইঙ্গিত এখনও মেলেনি। পিছনের সাসপেনশনে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে প্রিলোড অ্যাডজাস্টমেন্ট দেওয়া হতে পারে। আবার উচ্চতর ভ্যারিয়েন্টে দুই প্রান্তের সাসপেনশনেই অতিরিক্ত অ্যাডজাস্টমেন্টের সুবিধা থাকতে পারে।

টায়ারের ক্ষেত্রেও নতুন তথ্য সামনে এসেছে। আগের পরীক্ষাধীন মডেলে সামনে ও পিছনে Pirelli MT60 টায়ার দেখা গিয়েছিল। এবারের বাইকে রয়েছে CEAT টায়ার। এর থেকে অনুমান করা হচ্ছে, নতুন মডেলটি ভারতের বাজারের জন্য তৈরি সংস্করণ হতে পারে।

একাধিক ইঞ্জিন বিকল্পের সম্ভাবনা

বাইকের হেডলাইট এবং চালক ও পিছনের যাত্রীর সিটের নকশায় বন্ধ হয়ে যাওয়া Pulsar N125-এর কিছুটা ছাপ রয়েছে। তবে নতুন মোটরসাইকেলটির ইঞ্জিন ক্ষমতা বেশি হওয়ায় আকারে এটি N125-এর তুলনায় বড় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে চালক ও পিছনের যাত্রীর জন্য বেশি জায়গাও থাকতে পারে।

Waldyr Ferreira-র বক্তব্য অনুযায়ী, একাধিক ইঞ্জিন বিকল্পে বাইকটি বাজারে আসতে পারে। তবে ছোট ইঞ্জিনের সংস্করণটি মূলত লাতিন আমেরিকার বাজার, বিশেষ করে ব্রাজিলের জন্য সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বলে অনুমান। সেই মডেলের ইঞ্জিন ক্ষমতা ১২৫cc নয়, বরং ১৬০cc-র কাছাকাছি হতে পারে। ভারতের বাজারে তুলনামূলক বড় ইঞ্জিনের সংস্করণ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রথমে ব্রাজিল, পরে ভারতে লঞ্চ?

Bajaj-এর ব্রাজিল বিভাগের প্রধান আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সংস্থার তরফে বড়দিনের সময় একটি বিশেষ উপহার আসতে পারে। সেই বক্তব্য থেকে অনুমান করা হচ্ছে, অন্তত ব্রাজিলের বাজারে ২০২৬ সালের শেষের দিকে নতুন ডুয়াল-স্পোর্টস বাইকটির আত্মপ্রকাশ হতে পারে। ভারতে একই সময়ে অথবা ২০২৭ সালের শুরুতে লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজারে এলে Hero Xpulse 200 ও Xpulse 210-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামবে Bajaj-এর নতুন বাইক। পাশাপাশি আসন্ন Honda XR300L, XR300 Rally এবং Kawasaki KLX 230 ও KLX 230 S-এর মতো মডেলগুলিও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে।

তবে ইঞ্জিনের চূড়ান্ত ক্ষমতা, ভ্যারিয়েন্ট, দাম এবং লঞ্চের সময়সূচি সম্পর্কে Bajaj এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। আপাতত পরীক্ষাধীন বাইকের ছবি থেকেই নতুন মডেলটির সম্ভাব্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *