বিরোধীর ‘মক পার্লামেন্ট’ জলে, চিন্তা এখন রামলীলা
এ দিকে, রামলীলার সমাবেশ নিয়ে দিল্লির বণিক সংগঠনের আপত্তি ক্রমেই বাড়ছে। দিওয়ালির আগের রবিবার এমন জনসমাগম হলে তাঁদের কোটি কোটি টাকার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সমাবেশ পিছোনোর আর্জি জানিয়েছিল ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (সিটিআই)। এই নিয়ে রাহুলকে চিঠি লিখলেও সমাবেশ পিছোতে রাজি হননি তিনি। শুক্রবার এই মর্মে কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখেছে সিটিআই, রামলীলার সভা পিছোনোর আর্জি জানানো হয়েছে৷ বিরোধী শিবিরের তরফে অবশ্য তেমন পদক্ষেপের ইঙ্গিত নেই। উল্টে বাম ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা রামলীলার সমাবেশকে সমর্থন জানিয়েছেন। এ দিকে, বিজেপি সমর্থিত সংগঠন ‘সিটিজেন্স ফর ডেমোক্র্যাসি’র তরফে শুক্রবার দিল্লির এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টারে অন্য ‘মক পার্লামেন্ট’ আয়োজন করা হয়েছিল৷ তাতে ছাত্র ও যুবসমাজের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর ভূমিকায় অভিনয় করেন৷ বিরোধী শিবির কী ভাবে সংসদীয় অধিবেশনে বাধা িদচ্ছে, তার ইতিবৃত্ত তুলে ধরার চেষ্টা করেন।