বঙ্গোপসাগরে চলছে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতি, ৫৯০ কিমি পর্যন্ত হবে এর পাল্লা - 24 Ghanta Bangla News
Home

বঙ্গোপসাগরে চলছে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতি, ৫৯০ কিমি পর্যন্ত হবে এর পাল্লা

Spread the love

Missile Test: ভারত বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে একটি ‘নোটিশ টু এয়ারমেন’ (NOTAM) জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বরের…

Missile Test: ভারত বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে একটি ‘নোটিশ টু এয়ারমেন’ (NOTAM) জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে চারটি ভিন্ন সময়ে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাগুলো চালানো হতে পারে। এই সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ৫৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত একটি এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ওড়িশা উপকূলের অদূরে আব্দুল কালাম দ্বীপের কাছে বঙ্গোপসাগরে এই পরীক্ষাকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময়সীমার জন্য একটি নির্দিষ্ট সামুদ্রিক এলাকায় বিমান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই ধরনের বিজ্ঞপ্তির উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিমান ও অন্যান্য কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে, ঠিক কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হবে, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

৪টি ভিন্ন সময়কালে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা?

২৯ – ৩০ অক্টোবর: ২৯ অক্টোবর সকাল ৯:০০টা থেকে ৩০ অক্টোবর সকাল ১১:০০টা পর্যন্ত।
২ – ৩ নভেম্বর: ২ নভেম্বর দুপুর ২:০০টা থেকে ৩ নভেম্বর বিকেল ৪:০০টা পর্যন্ত।
৫ নভেম্বর: সকাল ১১:০০টা থেকে বিকেল ৪:০০টা পর্যন্ত।
৬ নভেম্বর: সকাল ৯:০০টা থেকে সকাল ১১:০০টা পর্যন্ত।
পাল্লা: ৫৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের একটি বড় অংশকে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কথাও উল্লেখ রয়েছে। ভারতের কৌশলগত ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার দিক থেকে এই এলাকাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল।

এই মাসে আন্দামান ও নিকোবারে সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে

চলতি মাসের ২০ থেকে ২২ তারিখের মধ্যে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জে তিন দিনব্যাপী একটি বড় আকারের সামরিক মহড়া পরিচালনা করেছে। সরাসরি গোলাবর্ষণের অনুশীলনসহ এই মহড়ায় সামরিক বাহিনীর তিনটি শাখা – স্থলবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী – অংশ নেয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করা, বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবস্থা পরীক্ষা করা এবং সামরিক বাহিনীর তিনটি শাখার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা।

আন্দামান ও নিকোবর কমান্ড ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ড। এতে সশস্ত্র বাহিনীর তিনটি শাখা – স্থলবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকে। এই সামরিক অনুশীলনে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ও প্ল্যাটফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, এই অনুশীলনের অংশ হিসেবে যুদ্ধবিমান থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেটের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও সম্পন্ন হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *