মোদীর বারাণসী এবং সঙ্ঘের নাগপুরেও হারল বিজেপি, কী এই বিধান পরিষদ নির্বাচন? কারা ভোট দেন?
আর দ্বিতীয় কারণ, বিধান পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কৌতূহল। কী ভাবে এই নির্বাচন হয়? কারা সেখানে মনোনীত বা নির্বাচিত হতে পারেন? আর কারা ভোট দিতে পারেন?
বিধান পরিষদ কী?
সংসদে যেমন দুই কক্ষ রয়েছে। লোকসভা এবং রাজ্যসভা। তেমনই রাজ্যে বিধানসভার পাশাপাশি বিধান পরিষদ রাখা যায়। সংবিধানের ১৬৯ অনুচ্ছেদে এই সুযোগ দেওয়া রয়েছে। এই মুহূর্তে দেশের ছ’টি রাজ্যে বিধান পরিষদ রয়েছে— অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, বিহার, তেলঙ্গানা এবং উত্তরপ্রদেশ।
কী ভাবে বিধান পরিষদ গঠন হয়?
কী ভাবে বিধান পরিষদ গঠিত হবে, তা সবিস্তার বলা হয়েছে সংবিধানের ১৭১ অনুচ্ছেদে। আইন বলছে, কোনও রাজ্যের বিধানসভায় যত আসন রয়েছে, তার এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ আসন হতে পারে বিধান পরিষদে। তবে ছোট রাজ্যের ক্ষেত্রে আসন সংখ্যা ৪০ পর্যন্ত হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। এর এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯৮ জন সদস্য থাকতে পারবেন প্রস্তাবিত বিধান পরিষদে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে তৃতীয় বার ক্ষমতায় ফিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে বিধান পরিষদ গঠনে উদ্যোগী হয়েছিলেন। যদিও তা শেষমেশ কার্যকর করা হয়নি। ২০২৬ সালের ভোটে রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। পদ্মশিবিরের একাংশের মতে, তাঁদেরও বিধান পরিষদ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও কবে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।