বন্ধুর বিরুদ্ধে টক্করে জিতলেন স্মৃতি, ডব্লিউপিএলে চ্যাম্পিয়ন আরসিবি! – Bengali News | Rcb becomes wpl champion for the second time by beating delhi in the finals
কলকাতা : আইপিএলের পর ডব্লিউপিএল, পর পর দু’বার চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। গত বছরেই পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্রথম বার ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছেন বিরাট কোহলিরা। এবার বন্ধু জেমাইমার নেতৃত্বাধীন দিল্লিকে ৬ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন স্মৃতি মন্ধানারা। কয়েক মাস আগে স্মৃতির ব্যক্তিগত জীবন তছনছ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় বন্ধুর পাশে থাকতে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগকে উপেক্ষা করে বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন জেমাইমা রদ্রিগেজ। কিন্তু মাঠের লড়াইকে এর সঙ্গে মেশানো যাবে না। বাইশ গজে দুই বন্ধু লড়লেন। জয় পেলেন স্মৃতি।
প্রথমে ব্যাট করে দিল্লি ক্যাপিটালস তুলেছিল ২০৩ রান। অর্ধশতরান করেন দিল্লির অধিনায়ক জেমাইমা। স্লগ ওভারে শিনেল হেনরি ১৫ বলে করেন ৩৫ রান। জবাবে ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৪১ বল খেলে স্মৃতি মন্ধানা করলেন ৮৭ রান। মেরেছেন ১২টি বাউন্ডারি ও ৩টি ওভার বাউন্ডারি। ম্যাচের সেরা তিনিই। আর এক অজি ব্যাটার জর্জিয়া ভল করলেন ৫৪ বলে ৭৯ রান। এই দু’জনের যুগলবন্দিই জয়ের সরণিতে ফেরাল আরসিবিকে। শেষ ওভারে বেঙ্গালুরুর জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১০ রান। শ্রী চরণীকে পরপর দুটি চার মেরে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন রাধা যাদব।
এই জয়ের ফলে আইপিএল ও ডব্লিউপিএল, দুই ফর্ম্যাটেই চ্য়াম্পিয়ন আরসিবি। এই নিয়ে টানা চারবার ফাইনাল খেলল দিল্লি। দুর্ভাগ্যবশত, প্রতিবারেই রানার্স হয়েছে তারা। এর আগে যে দল এলিমিনেটর জিতেছে, তার হাতেই উঠেছে জয়ের শিরোপা। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে দিলেন সোফি ডিভাইনরা। দিল্লির করা ২০৩ রান ডব্লিউপিএলের ইতিহাসে ফাইনালে করা সর্বাধিক রান। এই রান দুই বল বাকি থাকতেই তুলে নেয় আরসিবি। শেষ তিন বছরে দুইবার চ্যাম্পিয়ন হলেন স্মৃতিরা। ২০২৪ সালেও এই দিল্লির বিরুদ্ধেই জেতে আরসিবি।
চ্যাম্পিয়ন হয়ে সমর্থকদেরই কৃতিত্ব দিয়েছেন স্মৃতি। তাঁর মতে, আরসিবির সমর্থকদের জন্যই এই জয়। তাঁরা সেই জয় পাওয়ার যোগ্য। তাঁদের তুলনা হয় না। শেষে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে “এ সালা কাপ নামদু টু” বলে উচ্ছাস প্রকাশ করেন স্মৃতি, যার অর্থ “এই বছর কাপ আমাদের।” এই জয়ের ফলে খুশি আরসিবি সমর্থকেরাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিয়েছেন তাঁরা। শেষ ৩ বছরে ৩টি ট্রফির স্বাদ পেয়েছে দল। যদি আগামী আইপিএলে নিজেদের মুকুট নিজেদের কাছেই রাখতে পারেন বিরাট কোহলিরা, তাহলে তো সমর্থকদের কাছে সোনায় সোহাগা।