Opposition Mock Parliament: শেষে খাড়্গের বাসভবনে জ্ঞানেশের পাবলিক ইমপিচমেন্ট নিয়ে মক পার্লামেন্ট, কেন? | Opposition to hold mock parliament on cec gyanesh kumars public impeachment at mallikarjun kharges residence
দিল্লির রামলীলা ময়দানে ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের সমাবেশ নিয়ে একাধিক শর্ত দিয়েছে দিল্লি পুলিশ (ফাইল ফোটো)Image Credit: TV9 Bangla
নয়াদিল্লি: প্রকাশ্যে মক পার্লামেন্টে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পাবলিক ইমপিচমেন্টের কর্মসূচি নিয়েছিল বিরোধীরা। কিন্তু, সেই কর্মসূচির অনুমতি দিল না দিল্লি পুলিশ। এমনই অভিযোগ কংগ্রেসের। ফলে আগামী ৩০ অক্টোবর কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে এই কর্মসূচি হবে।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, পার্লামেন্টের সেন্ট্রাল হলে এই মক পার্লামেন্ট করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এরপর দিল্লির অশোকা হোটেলের লনে এই কর্মসূচি করার জন্য দিল্লি পুলিশের কাছে অনুমতি চায় কংগ্রেস। কিন্তু আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি পুলিশ। এরপর দিল্লির রামলীলা ময়দানেই পাবলিক ইমপিচমেন্ট করার ঘোষণা করা হয়। রামলীলা ময়দানে জনসভার অনুমতি দিলেও পাবলিক ইমপিচমেন্টের কর্মসূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ হেডকোয়ার্টার। এরপর খাড়্গের বাসভবনে বিরোধী সাংসদদের নিয়ে এই কর্মসূচি পালন করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে, ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী কর্মসূচির জন্য কড়া শর্তাবলী বেঁধে দিল দিল্লি পুলিশ। দিল্লির দূষণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভিন রাজ্য থেকে আসা বাস বা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা গাড়ি দিল্লি সীমান্তে ঢুকতে পারবে না। সেক্ষেত্রে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে বাস পার্ক করে বিকল্প গাড়িতে বা হেঁটে সভাস্থলে আসতে হবে ভিন রাজ্যের কর্মী, সমর্থকদের। আবার রামলীলা ময়দানে আগের দিন রাত থেকে এসে রাত্রিবাসও করা যাবে না বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
জানা গিয়েছে, গ্রাডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP) স্টেজ-১ অনুযায়ী দশ বছরের পুরনো ডিজেল গাড়ি এবং ১৫ বছরের পুরনো পেট্রোল গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৩০ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর রাত বারোটা থেকেই নিষেধাজ্ঞা লাগু করা হবে বলে ঘোষণা করেছে দিল্লি সরকার। বেআইনি গাড়ি আটকানোর জন্য দিল্লি সীমান্তের এন্ট্রি পয়েন্ট, টোল প্লাজা এবং পলিউশন হটস্পটে মোট আড়াইশো জনের ইনফোর্সমেন্ট টিম মোতায়েন করছে দিল্লি পরিবহণ দফতর।
এদিকে রাজনৈতিক সভার আড়ালে দুর্বৃত্তরা যাতে শহরে ঢুকতে না পারে তার জন্য সভাস্থলে পর্যাপ্ত হাই ডেফিনেশন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর জন্য সংগঠকদের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। আলাদা করে তৈরি করতে হবে মনিটরিং সেন্টার। শর্তে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে মূল সভাস্থল ছেড়ে অন্য কোনও দিকে মিছিল বের করা যাবে না। সভা থেকে কোনও উত্তেজক বিবৃতি দেওয়া যাবে না। বিকেল পাঁচটার মধ্যে কর্মসূচি শেষ করতে হবে বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।