বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ ব্যবস্থা ‘আধার’-এর সীমাবদ্ধতাগুলো কী কী? - 24 Ghanta Bangla News
Home

বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ ব্যবস্থা ‘আধার’-এর সীমাবদ্ধতাগুলো কী কী?

Spread the love

Aadhaar Biometrics: বর্তমানে ভারতে আধার কার্ড (Aadhaar Card) হল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত নথি। দেশের ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষের কাছে আধার কার্ড রয়েছে। নতুন সিম কার্ড…

Aadhaar

Aadhaar Biometrics: বর্তমানে ভারতে আধার কার্ড (Aadhaar Card) হল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত নথি। দেশের ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষের কাছে আধার কার্ড রয়েছে। নতুন সিম কার্ড নেওয়া, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, সরকারি প্রকল্পের আওতায় ভর্তুকি পাওয়া কিংবা হোটেলে ওঠা – এই সব কাজের জন্যই আধার কার্ড অপরিহার্য। ১৪০ কোটি মানুষের আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও চোখের মণির স্ক্যান (রেটিনাল স্ক্যান)-সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে আধার কার্ড বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে।

বিশ্বের অনেক বড় বড় রাষ্ট্র ভারতের ডিজিটাল মডেলটির প্রশংসা করে এবং তারা এটি নিজেদের দেশেও বাস্তবায়ন করতে চায়। তবে প্রতিটি বিষয়েরই দুটি দিক থাকে। আধার যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকে সহজ করেছে এবং দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করেছে, তেমনই এটি তার প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা ও তথ্য সুরক্ষার বিষয়েও ক্রমাগত প্রশ্নের মুখে পড়েছে। আসুন, আধারে ব্যবহৃত বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ ব্যবস্থার সবল ও দুর্বল দিকগুলো খতিয়ে দেখা যাক।

আধার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এক আমূল পরিবর্তন এনেছে। এর সবচেয়ে বড় শক্তি হল, এটি দেশের দরিদ্রতম ব্যক্তিদেরও একটি নির্ভরযোগ্য পরিচয় প্রদান করেছে। আগে সরকারি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ অর্থ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর আগেই প্রায়শই উধাও হয়ে যেত। কিন্তু আধারের সঙ্গে যুক্ত ‘ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার’ (DBT) ব্যবস্থা মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা পুরোপুরি বিলুপ্ত করেছে। ‘পিএম কিষান সম্মান নিধি’ হোক বা ‘পিএম উজ্জ্বলা যোজনা’-র অধীন ভর্তুকি – এখন সরকার কেবল একটি ক্লিকের মাধ্যমেই সরাসরি উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ পৌঁছে দিতে পারে।

সরলীকৃত কেওয়াইসি (KYC)

তাছাড়া, কেওয়াইসি (KYC) প্রক্রিয়া – অর্থাৎ পরিচয় যাচাইকরণের কাজ – এখন সম্পন্ন হতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগে। আগে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা বা ঋণ পাওয়ার জন্য নথিপত্রের বড় একটি স্তূপ সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে হতো; কিন্তু বর্তমানে ‘ই-কেওয়াইসি’ (e-KYC)-এর মাধ্যমে কেবল আঙুলের ছাপ ব্যবহার করেই তাৎক্ষণিকভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। গ্রাম ও শহরের মানুষ এখন ‘আধার-এনাবলড পেমেন্ট সিস্টেম’ (AePS)-এর সহায়তায় কোনো এটিএম কার্ড ছাড়াই, কেবল আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *