পদ্মকুঁড়ির ডাঁটা হাতে দাঁড়িয়ে লক্ষ্মী
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো বাঙালির ঘরে ঘরে সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনার এক গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। অন্য দিকে, দীপান্বিতা অমাবস্যাতেও দেবী লক্ষ্মীর আরাধনার বিশেষ প্রচলন রয়েছে। এই দুই তিথিতে প্রাচীন মন্দির চত্বরে পুজোর আয়োজন বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতির ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরে। সময়ের পরিবর্তন ঘটলেও, পারিবারিক ঐতিহ্য ও দেবী আরাধনার এই পরম্পরা মন্দিরটিকে আজও স্বতন্ত্র করে রেখেছে। বংশ পরম্পরা, ইতিহাস, ধর্মীয় বিশ্বাস ও শিল্পকলার মেলবন্ধনে রাউতপাড়ার এই মন্দির আরামবাগ মহকুমার ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। প্রাচীন বাংলার শিল্পীরা কী ভাবে পোড়ামাটির মতো সাধারণ উপাদানকে রূপান্তরিত করেছিলেন, তারই এক সুন্দর উদাহরণ এই মন্দিরের দেওয়ালে ফুটে ওঠা দেবী লক্ষ্মীর মূর্তি। যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা গেলে, আগামী দিনেও বাংলার প্রাচীন মন্দির স্থাপত্যের এই অনন্য নিদর্শন ইতিহাসপ্রেমী, গবেষক ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করবে।