Ritabrata Banerjee: ‘ওদের নথি যাচ্ছে চার্টার্ড ফ্লাইটে, আমাদের গাড়িতে…’, নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগ ঋতব্রতর! | Ritabrata banerjee alleges mamata banerjee tmc tried to snatch thier documents kunal ghosh says people will laugh
ঋত শিবিরের নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টা কে করল?Image Credit: TV9 বাংলা
কলকাতা: মমতা তৃণমূল নাকি ঋতব্রত তৃণমূল, কে আসল তৃণমূল কংগ্রেস? তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ECI)। তবে তার আগেই বিস্ফোরক অভিযোগ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee)। কমিশনে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের (ঋত শিবির) নথি জমা দেওয়ার আগে সেই নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে বলেই দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। পাল্টা মমতা-পন্থী তৃণমূল কী বলছে?
আজ, ২৬ অক্টোবরই নির্বাচন কমিশনে নথি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। ৩০ অক্টোবর দুই তৃণমূলকেই মুখোমুখি বসিয়ে তাদের কথা শুনবে কমিশন। সেই অনুযায়ীই সিদ্ধান্ত হবে যে কে আসল তৃণমূল! কার কাছে তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক থাকবে।
কী অভিযোগ ঋতব্রতর?
কমিশনের কাছে নথি জমা দেওয়ার আগেই সেই নথি ছিনতাই করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ঋতব্রত দাবি করেন যে ২৫ তারিখ সন্ধ্যায় কালীঘাট তৃণমূলের নথি চার্টার্ড বিমানে করে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই তাদের নথি সড়কপথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ২৪ তারিখ সকালেই কর্মীরা রওনা দিয়েছিলেন কর্মীরা, তবে মাঝপথে সেই নথি ছিনতাই করার চেষ্টা করা হয়। কর্মীরা সাহসিকতার সঙ্গে সেই ছিনতাই রুখে দেয়। তিনি বলেন যে এভাবে তাদের দমানো যাবে না।
কী বলছেন কুণাল?
ঋতব্রতর এই অভিযোগ শুনেই কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “কেউ বিশ্বাস করবে? সব গল্প। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিজেপি করছিল, পুলিশ দিয়ে জোর করে যতজন বিধায়কের সই হয়েছিল, ওতজন বিধায়করা তো এবার সই-ও করেনি। সদস্য-সমর্থক বলে ফর্ম ফিলআপ করানো হয়েছে, এমনকী থানা-পুলিশ করে ওইসব করানো হয়েছে। তাতেও ওদের বিরাট ঘাটতি। কতজন বিধায়ক সই করেছে? সেই জন্য এইসব পুলিশ দিয়ে করিয়েছে মুখ বাঁচাতে। এতদিন পুলিশ দিয়ে রোয়াবি করেছে, এখন পুলিশ পারছে না বলে কাঁদুনি গাইতে এসেছে। তৃণমূল ট্রাক ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেছে? হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাবে। ঘোড়াও হাসবে। অপদার্থ, বিশ্বাসযোগ্যতাহীন মালপত্র সব।”
এদিকে আবার ঋত শিবিরের নেতা কোহিনূর মজুমদার বলেন, “ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বলেছিল নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ওঁদের সঙ্গে রয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা পর পরচুলা, বিউটি পার্লার বলতে শুরু করেছে। ভেরি মাচ ক্লু-লেস। কর্মীরা এফিডেভিট সংগ্রহ করেছে, সেটা আমরা জমা করার চেষ্টা করছি। অন্যন্ত ক্ষুদ্রতম প্রচেষ্টা এটা। আজ কোনও কিছু করতে না পেরে, এইভাবে দখল করার চেষ্টা করছে।”
কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হলফনামা জমা পড়ার ছবি আগেই সামনে এসেছিল। তাদের দাবি ছিল, সরকার ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভোটার তালিকা দেখে ভুয়ো হলফনামা তৈরি করা হচ্ছে।