যুদ্ধের অশনি সংকেত! প্রতিরক্ষা খাতে ২.১২ লক্ষ কোটি অনুমোদন মোদী সরকারের - 24 Ghanta Bangla News
Home

যুদ্ধের অশনি সংকেত! প্রতিরক্ষা খাতে ২.১২ লক্ষ কোটি অনুমোদন মোদী সরকারের

Spread the love

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিরক্ষা খাতে বড় অঙ্কের অনুমোদন দিয়েছে। (Defence Approval)প্রায় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা প্রস্তাবগুলো পাস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্টিলারি ব্যবস্থা, হেলিকপ্টার,…

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিরক্ষা খাতে বড় অঙ্কের অনুমোদন দিয়েছে। (Defence Approval)প্রায় ২.১২ লক্ষ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা প্রস্তাবগুলো পাস হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্টিলারি ব্যবস্থা, হেলিকপ্টার, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, কাউন্টার-ড্রোন প্রযুক্তি, নজরদারি ব্যবস্থা, দূরপাল্লার ড্রোন, নৌবাহিনীর প্ল্যাটফর্ম এবং আবহাওয়া রাডার।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর প্রায় ৮২ শতাংশই ভারতীয় শিল্পের জন্য নির্ধারিত। এর ফলে দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতকে বড় ধরনের উৎসাহ মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।

আরও দেখুনঃ এবার আরও কড়া কেন্দ্র! ৫ নভেম্বর থেকে গণতন্ত্র বাঁচাও পদযাত্রায় মোদী-শাহ

ড্রোন ও কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের ভূমিকা বেড়ে যাওয়ায় এগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। হেলিকপ্টার সংগ্রহের মাধ্যমে সেনা ও বিমানবাহিনীর গতিশীলতা বাড়ানো হবে। এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় সাহায্য করবে। নজরদারি ও দূরপাল্লার ড্রোন সীমান্ত ও সমুদ্রসীমায় নজরদারি বাড়াবে।

নৌবাহিনীর জন্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম এবং আবহাওয়া রাডারও এই অনুমোদনের অন্তর্ভুক্ত।(Defence Approval) এসব ব্যবস্থা সমুদ্রসীমা সুরক্ষা ও অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। সামগ্রিকভাবে তিন বাহিনীর আধুনিকীকরণে এই প্রস্তাবগুলো সহায়ক হবে।

দেশীয় শিল্পের অংশগ্রহণ ৮২ শতাংশ হওয়ায় প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান বাড়বে এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। বেসরকারি খাতও এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারবে। মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ ধরনের অনুমোদন নিয়মিতভাবে দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তির সংযোজন দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সক্ষমতা বাড়বে। ড্রোন ও কাউন্টার-ড্রোন প্রযুক্তি বর্তমান যুদ্ধকৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

এই অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো দ্রুত সংগ্রহ প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে (Defence Approval)। দেশীয় নির্মাতারা অর্ডার পেলে উৎপাদন বাড়াতে পারবে। ফলে আমদানিনির্ভরতা কমে আত্মনির্ভরতা বাড়বে। সরকারের এই পদক্ষেপ প্রতিরক্ষা বাজেটের কার্যকর ব্যবহার এবং সামরিক প্রস্তুতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। আর্টিলারি থেকে শুরু করে আকাশ প্রতিরক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *