ভোটার তালিকায় ফের কারচুপির অভিযোগ মহারাষ্ট্রে! সুপ্রিমকোর্টে ধাক্কা কমিশনের
নয়াদিল্লি: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া (Maharashtra SIR)নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক আবেদনকারী। সোমবার, ২৬ অক্টোবর, এই মামলায় ভারতের…
নয়াদিল্লি: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া (Maharashtra SIR)নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক আবেদনকারী। সোমবার, ২৬ অক্টোবর, এই মামলায় ভারতের নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে কমিশনকে নিজেদের বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে।
ভোটার তালিকা সংশোধনের পদ্ধতি, বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ এবং পুনরায় নাম নথিভুক্ত করার জন্য ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা এই একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে আদালত এখনও SIR প্রক্রিয়া বন্ধ করার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি; আপাতত নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।
আরও দেখুনঃ ভারতে অনুমোদন না পেয়ে আম্বানির মত ধন কুবেরদের দোষারোপ মাস্কের
সোমবার মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, এই বিষয়টি নিয়ে অন্য কোনও মামলা বিচারাধীন রয়েছে কি না। আবেদনকারী অরুণ আনন্দগিরির হয়ে আদালতে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী অরবিন্দ দাতার। তিনি জানান, আগের শুনানিতেও বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।
তাঁর বক্তব্য ছিল, নভেম্বরের আগে তালিকা চূড়ান্ত করা উচিত নয়। ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে সময় লাগতে পারে বলেও আদালতকে জানান তিনি।
দাতারের যুক্তি, অবিলম্বে কোনও নির্বাচন না থাকলে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। (Maharashtra SIR)বাদ পড়া ভোটারদের নাম ফিরিয়ে আনার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া জরুরি। তাঁর বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করা হচ্ছে এবং ৫ নভেম্বর মামলাটি আবার শুনবে আদালত। এই নির্দেশের ফলে মহারাষ্ট্রের SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান পরবর্তী শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
শুনানিতে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার পরিমাণ নিয়েও গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন আবেদনকারীর আইনজীবী। দাতারের দাবি, মহারাষ্ট্রের প্রায় ৯ কোটি ভোটারের মধ্যে ৩৩ শতাংশের নাম সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। মুম্বই ও পুনের মতো বড় শহরগুলিতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক বলে দাবি করেন তিনি।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই দুই শহরে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটারের নাম তালিকায় নেই। যদিও এই পরিসংখ্যানগুলি আদালতে আবেদনকারীর আইনজীবীর করা দাবি, নির্বাচন কমিশনের তরফে এগুলির সত্যতা সম্পর্কে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়।