জ়িম্বাবোয়েকে উড়িয়ে সিরিজ় ভারতের
তৃতীয় উইকেটে এই দুই ব্যাটার যোগ করেন ১২৪ রান। কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন প্রতীকা রাওয়াল। ২৩তম ওভারে ১৪৩ রানের মাথায় ৬৭ বলে ৬১ রান করে আউট হন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই তেজাল হাসাবিনস ৩ রানে ফেরায় ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ১৪৮/৪।
সেখান থেকেই শুরু হয় হরমনপ্রীত ও দীপ্তি শর্মার তাণ্ডব। জিম্বাবোয়ের বোলারদের নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা শুরু করেন এই দুই তারকা। পঞ্চম উইকেটে দুজনে যোগ করেন ১৫৩ রান। ১২১ বলে ১৫টি চারে সাজানো ১২৬ রানের এক ইনিংস খেলে হরমনপ্রীত নিজের অষ্টম ওয়ানডে শতরান তুলে নেন। এই সেঞ্চুরির সুবাদে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওয়ানডে শতরানের মালিক হিসেবে নিজের নাম লেখালেন তিনি। ডিপ কভারে ক্যাচ দিয়ে হরমনপ্রীত ফিরলেও অন্যপ্রান্তে দলকে টানেন দীপ্তি। মাত্র ৮৬ বলে ১৫টি বাউন্ডারিতে সাজানো অপরাজিত ১০৬ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ ওভারে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের কেরিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি করে ভারতকে ৬ উইকেটে ৩২৮ রানে পৌঁছে দেন দীপ্তি।