নির্দিষ্ট সময়েই খোলা হবে মণ্ডপ, বলছে শহরের পুজো কমিটিগুলো
এই সময়: লক্ষ্মীপুজোর পরের সাত দিনের মধ্যে রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে মণ্ডপ তৈরির যাবতীয় সামগ্রী। শহরের প্রতিটি পুজো কমিটিকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। জানানো হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ না হলে বাজেয়াপ্ত করা হবে মণ্ডপের নির্মাণ সামগ্রী। রবিবার লক্ষ্মীপুজো। শহরের একাধিক পুজো কমিটি জানিয়েছে, প্রতিমা বিসর্জনের পরে তাদের মণ্ডপে লক্ষ্মীপুজো হয়। তাই লক্ষ্মীপুজো মেটার পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রাস্তা থেকে মণ্ডপের যাবতীয় সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হবে।
দক্ষিণ কলকাতার ত্রিধারা পুজো কমিটির অন্যতম কর্তা লাল্টু মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাদের মণ্ডপের মডেল এবং অন্যান্য সামগ্রী কালী পুজো এবং চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোয় ব্যবহার করা হবে। তাই যাঁরা আমাদের মণ্ডপ নির্মাণ করেছেন, তাঁরাই তা সরানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন। আশা করছি, দিন সাতেকের মধ্যে যাবতীয় সামগ্রী সরিয়ে ফেলা যাবে।’ মুদিয়ালি ক্লাবের পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা মনোজ শাহুর কথায়, ‘আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে মণ্ডপ খুলে, রাস্তার গর্ত বুজিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করব। ওই সময়ের মধ্যে রাস্তায় পড়ে থাকা পেরেকও সরিয়ে দেওয়া হবে।’
সংশ্লিষ্ট কাজের দায়িত্বে থাকা পুরসভার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কোথায়–কোথায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মণ্ডপের সামগ্রী সরানোর কাজ হলো, সে বিষয়ে নজরদারি চালানো হবে। উত্তর কলাকাতার টালা প্রত্যয়–এর তরফে শমীক সাহা বলেন, ‘২৪ অক্টোবর আমাদের প্রতিমা বিসর্জন হবে। ইতিমধ্যেই মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ খুলে ফেলা হয়েছে। নির্দিষ্ট মধ্যে মণ্ডপের যাবতীয় সামগ্রী সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থাও করা হবে।’
তবে আবহাওয়া অফিস এরই মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে মণ্ডপ খোলার কাজ বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এই কথা শোনার পরে পুরসভার রাস্তা বিভাগের এক শীর্ষকর্তা বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে, পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পুরসভার নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে শহরের সব পুজো কমিটিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মণ্ডপ তৈরির যাবতীয় সরঞ্জাম সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় পুরসভা রাস্তায় পড়ে থাকা ডেকোরেটর্সের সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করবে।’