ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উত্তেজনা! মিলছে না সৌরভ দাসের দিল্লিতে থাকার প্রমান - 24 Ghanta Bangla News
Home

ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উত্তেজনা! মিলছে না সৌরভ দাসের দিল্লিতে থাকার প্রমান

Spread the love

নয়াদিল্লি: দিল্লির একটি বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Saurav Das)আদালতে ককরোচ জনতা পার্টির সহ-সম্পাদক সৌরভ দাসের ঠিকানা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। পিস্ বন্ড লঙ্ঘনের মামলায় আদালত তাকে…

নয়াদিল্লি: দিল্লির একটি বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Saurav Das)আদালতে ককরোচ জনতা পার্টির সহ-সম্পাদক সৌরভ দাসের ঠিকানা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। পিস্ বন্ড লঙ্ঘনের মামলায় আদালত তাকে দিল্লিতে বসবাসের প্রমাণ জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট রিতু রাজ লক্ষ্য করেছেন যে জমা দেওয়া কাগজপত্রে কোনো ভাড়া চুক্তি বা লিজ ডকুমেন্ট নেই, যা দিয়ে দিল্লিতে তার বাসস্থান প্রমাণ করা যায়।

শুক্রবার সৌরভ দাস (Saurav Das)ও তার সহকর্মী অশুতোষ রানকা আদালতে হাজির হন। দিল্লি পুলিশের আইনজীবী যুক্তি দেন যে দাস এখনো শহরে বসবাসের কোনো স্পষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারেননি। ম্যাজিস্ট্রেট সেই যুক্তি মেনে নেন এবং বলেন, জমা দেওয়া নথিগুলোতে ভাড়া চুক্তি বা লিজের কোনো উল্লেখ নেই। দাসের আইনজীবীরা সময় চান এবং আদালত ১৭ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। সেদিন নতুন নথি পরীক্ষা করা হবে।

আরও দেখুনঃ দেশে প্রয়োজন নেই মসজিদ! নির্মাণস্থলে শুয়োরের মাংসের পার্টি দিয়ে প্রতিবাদ দক্ষিণ কোরিয়ায়

এই মামলার উৎপত্তি অক্টোবরের শুরুর দিকে। যন্তর মন্তরে প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে সৌরভ দাস ও অশুতোষ রানকাকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। তাঁরা শান্তি বন্ড জমা দিয়ে মুক্তি পান। আদালতের নির্দেশ ছিল আগামী এক বছর তাদের যন্তর মন্তরে ঢোকা বারণ। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই আবার যন্তর মন্তরে ঢোকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ দাবি করে, তাঁরা বন্ডের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁদের হেফাজত বাড়িয়েছিল এবং পরে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয়।

আগেও শ্যুরিটি নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। এক শ্যুরিটি সৌরভ দাসের পিতৃপরিচয় ও ঠিকানার মতো মৌলিক তথ্য দিতে পারেননি বলে আদালত নথিভুক্ত করেছিল। সেই প্রসঙ্গে এখন দিল্লির ঠিকানা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আদালত চাইছে স্পষ্ট প্রমাণ যে তিনি সত্যিই দিল্লিতে থাকেন।

সৌরভ দাস ও তার সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি নির্বাচনী তালিকা সংশোধনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সক্রিয়। তাঁরা নিজেদের সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। তবে আদালতের এই নির্দেশ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ। শান্তি বন্ডের ক্ষেত্রে আসামির ঠিকানা ও পরিচয় যাচাই করা রুটিন বিষয়। ম্যাজিস্ট্রেট চাইছেন সবকিছু স্পষ্ট হোক।

দাসের আইনজীবীরা বলছেন, তাঁরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে জমা দেবেন। পুলিশ পক্ষ বলছে, এখনো পর্যন্ত জমা দেওয়া নথি যথেষ্ট নয়। আগামী শুনানিতে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। কেউ কেউ পরিচয় ও ঠিকানার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। আবার কেউ বলছেন, এটি নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়া মাত্র। আদালত কিন্তু কোনো রায় দেয়নি, শুধু প্রমাণ চাইছে। সৌরভ দাসকে (Saurav Das)এখন সেই প্রমাণ জমা দিতে হবে। ১৭ নভেম্বর আদালত সেগুলো দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *