ধনদেবীর বরণে চঞ্চলা বাজার, চিন্তায় গৃহস্থ - 24 Ghanta Bangla News
Home

ধনদেবীর বরণে চঞ্চলা বাজার, চিন্তায় গৃহস্থ

Spread the love

এই সময়: আপেল ২০০ থেকে ২৫০। একটি নারকেল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়। একটি পদ্মফুল ২০ থেকে ২৫ টাকা—বাজার করতে বেরিয়ে পকেট পুড়ছে বাঙালির। কারণ, লক্ষ্মীপুজো। পুজোর দু’দিন আগেই চড়ে গিয়েছে বাজার। নাড়ু তৈরি থেকে নানা রকমের মিষ্টি, ভোগের সরঞ্জাম অনেকেই বাড়িতে তৈরি করেন। ফলে ফুল, ফল, আনাজ কিনতে গিয়ে মাথায় হাত দুই মেদিনীপুর–সহ ঝাড়গ্রামের মানুষের।

মেদিনীপুর শহর থেকে গড়বেতা, চন্দ্রকোণা রোড, ঘাটাল ও দাসপুর—বিভিন্ন বাজারে ফলের দাম বেশ চড়া। মোসাম্বি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। একটি আখ কিনতে খরচ হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ন্যাসপাতি ২০০ টাকা কেজি। এক ডজন কলার দাম পৌঁছেছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়।

শুধু ফল নয়, লক্ষ্মীপুজোর অন্যতম উপকরণ পদ্মফুলের দামও চড়া। বাজারে একটি পদ্মফুলের দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা। গাঁদা-সহ অন্য ফুলের দাম বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বেশি। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের বড়বাজারেও ফুল কিনতে গিয়ে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। ধানের ছড়া বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়। খুচরো ফুলের দাম আগে যেখানে প্রায় ১৫০ টাকা ছিল, তা বেড়ে হয়েছে ২০০ টাকার কাছাকাছি।

তমলুকের ফলের বাজারে আপেল বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। পেয়ারা ১২০ টাকা এবং বেদানা ২৫০ টাকা কেজি। শশার দামও চড়া, কেজিপ্রতি ৮০ টাকা। প্রায় একই ছবি ঝাড়গ্রামেও। জঙ্গলমহলের বিভিন্ন বাজারেও পুজোর আগে ফল ও ফুলের চাহিদা বেড়েছে। সব মিলিয়ে লক্ষ্মীবরণের প্রস্তুতি শুরু হলেও বাজারদর চিন্তা বাড়াচ্ছে গৃহস্থের। এক ক্রেতার কথায়, ‘লক্ষ্মীপুজোয় ফল-ফুল কিনতেই হয়। কিন্তু এ বার প্রায় সব কিছুর দাম বেশি। অল্প কিছু কিনতে গেলেও খরচ অনেকটা বেড়ে যাচ্ছে। সংসারের অন্য খরচ সামলে পুজোর বাজার করা কঠিন হয়ে পড়ছে।’

এক ফুল বিক্রেতার বক্তব্য, ‘লক্ষ্মীপুজোর আগে পদ্ম ও অন্য ফুলের চাহিদা বাড়ে। বাজারে দামও বেশি থাকছে। বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে ক্রেতাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’ তিন জেলার বিভিন্ন বাজারে কাঁচা আনাজে দামও চড়া। ফুলকপি ২৫- ৪০ টাকা প্রতি পিস। বাঁধাকপি ৪০ – ৫০ টাকা কেজি। পটল ৬০ টাকা কেজি। বরবটি- ৮০ টাকা কেজি। গাজর ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা। কুমড়ো ৪০ টাকা কেজি। সব মিলিয়ে পুজোর আগেই বাজারে লক্ষ্মী চঞ্চলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *