অস্থির রাজধানী! আরশোলাদের আটকাতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ২৭৩ কোম্পানির বাড়ল মেয়াদ
নয়াদিল্লি: দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। (Delhi)কেন্দ্রীয় সরকার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২৭৩টি কোম্পানির মোতায়েন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। হঠাৎ…
নয়াদিল্লি: দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। (Delhi)কেন্দ্রীয় সরকার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২৭৩টি কোম্পানির মোতায়েন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। হঠাৎ করে বিক্ষোভ বা ফ্ল্যাশ প্রোটেস্টের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।
এই মাসের শুরুতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের পর রাজধানীতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। সেই সময় প্রায় ১৯,০০০ অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী দিল্লিতে আনা হয়েছিল। এখন দ্বিতীয়বারের মতো এই মোতায়েনের মেয়াদ বাড়ানো হল। দিল্লি পুলিশের অনুরোধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অন্যান্য সংগঠন শহরের সংবেদনশীল জায়গাগুলোতে হঠাৎ বিক্ষোভ শুরু করতে পারে। তাই আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত বাহিনীর প্রয়োজন।
আরও দেখুনঃ ভরসন্ধ্যায় নৃশংস হত্যা! মহারাষ্ট্রে স্কুটারে ধাক্কা মেরে যুবককে পিটিয়ে খুন
২৭৩টি কোম্পানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে সিআরপিএফের ১২৫টি কোম্পানি। এর মধ্যে ২০টি মহিলা কোম্পানিও আছে। (Delhi)এছাড়া বিএসএফের ৪৬টি, আইটিবিপির ৩৯টি, এসএসবির ৩১টি, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের ২০টি এবং সিআইএসএফের ১২টি কোম্পানি মোতায়েন রয়েছে। প্রতিটি কোম্পানিতে অনুমোদিত জনবল ১০০ জন হলেও বাস্তবে কার্যকরভাবে ৭০ থেকে ৭২ জন কর্মী পাওয়া যায়। এভাবে হিসাব করলে রাজধানীতে অতিরিক্ত হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী সক্রিয় রয়েছে।
সরকারের এই পদক্ষেপকে জাতীয় রাজধানীর নিরাপত্তার প্রতি সক্রিয় মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। দিল্লি শুধু দেশের রাজধানী নয়, আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ শহরও বটে। (Delhi)এখানে যেকোনো বড় ঘটনা দেশের ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করে। তাই সম্ভাব্য অস্থিরতা মোকাবিলায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দিল্লি পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।
গত মাসের শুরুতে সিজেপির বিক্ষোভের সময় রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা দেখা গিয়েছিল। তারপর থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। এখনও বিভিন্ন সংগঠন নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ বিক্ষোভের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই কর্তৃপক্ষ কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না।
রাজধানীর মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এই অতিরিক্ত মোতায়েনের ফলে দিল্লি পুলিশ আরও স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারবে। সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাহিনীগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তে স্পষ্ট যে সরকার পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে। (Delhi)নাগরিকদের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত এই কড়া নিরাপত্তা বজায় থাকবে। এরপর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জাতীয় রাজধানীর নিরাপত্তা যাতে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সেদিকেই সরকারের নজর রয়েছে।