২০২৭ সালের IPL-এর আগে হার্দিকের ফেরা কঠিন, পন্থ-প্রসিধের চোটে চিন্তা বাড়ল ভারতের
ইতিমধ্যেই নিউ জ়িল্যান্ড সফরের দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হার্দিক। ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলা শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ়েও তাঁর খেলার সম্ভাবনা কম। ৩ জানুয়ারি থেকে জ়িম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ়েও তাঁকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। চোটের কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটেও বরোদার হয়ে খেলতে পারবেন না হার্দিক। তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি এবং বিজয় হাজারে ট্রফি। ফলে সাদা বলের এই দুই প্রতিযোগিতাতেও খেলতে পারবেন না তিনি।
২০২৬ সালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ় ও প্রতিযোগিতায় খেলতে পারেননি হার্দিক। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজ়, আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফর, জ়িম্বাবোয়ে সফর, ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সাদা বলের সিরিজ়, এশিয়ান গেমস এবং জাপানের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক একমাত্র টি-টোয়েন্টিতেও অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। হার্দিক শেষ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেছেন ২০২৬ সালের মে মাসে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে IPL-এ। ভারতের হয়ে তাঁর শেষ ম্যাচ ছিল মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে ২০২৭ সালের IPL-ই হতে পারে তাঁর বড় প্রত্যাবর্তনের মঞ্চ। তবে তার আগে রিহ্যাব সম্পূর্ণ করে ম্যাচ খেলার মতো ফিটনেস ফিরে পেতে হবে তাঁকে।
ঋষভ পন্থের ফেরা নিয়েও অনিশ্চয়তা
নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের আসন্ন টেস্ট সিরিজ়ের আগে চিন্তা বাড়িয়েছে ঋষভ পন্থের চোট। ইরানি কাপ খেলার সময় চোট পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহ থেকে হালকা দক্ষতা-ভিত্তিক অনুশীলন শুরু করতে পারেন তিনি। কিন্তু কবে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ়ের জন্য ভারতীয় দলে রয়েছেন পন্থ। তবে তাঁর খেলা নির্ভর করছে সম্পূর্ণ ফিট হয়ে ওঠার উপর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চোট সারিয়ে উঠতে না পারলে কোনও টেস্টেই খেলতে পারবেন না তিনি। সে ক্ষেত্রে বিকল্প উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব সামলাতে পারেন ধ্রুব জুরেল।