শুধু মনিটর নয়, ৫০০ কোটির লক্ষ্যে ViewSonic! এলইডি ব্যবসায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির দাবি - 24 Ghanta Bangla News
Home

শুধু মনিটর নয়, ৫০০ কোটির লক্ষ্যে ViewSonic! এলইডি ব্যবসায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির দাবি

Spread the love

নয়াদিল্লি: এত দিন ভিউসোনিক বললেই অধিকাংশ ক্রেতার মনে পড়ত কম্পিউটার মনিটর কিংবা প্রজেক্টরের কথা। কিন্তু ভারতের বাজারে এবার সেই পরিচিত গণ্ডি ছাড়িয়ে বড়সড় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। এলইডি ডিসপ্লে, ডিজিটাল সাইনেজ, বড় ইন্টারঅ্যাকটিভ প্যানেল এবং পেশাদার অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রযুক্তির বাজারে জোর বাড়াচ্ছে ভিউসোনিক। বিশেষ নজর রয়েছে সরকারি প্রকল্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কর্পোরেট ক্ষেত্রের উপর। ২০২৬ সালের শুরুতে ভারতে ৫০০ কোটি টাকার রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল সংস্থাটি। ভিউসোনিক ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুনির আহমদের দাবি, বিভিন্ন পণ্যের বিভাগ মিলিয়ে সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর পথেই রয়েছে সংস্থা। বিশেষ করে এলইডি ব্যবসায় বছরে প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধির দাবি করেছেন তিনি।

মনিটর থেকে ৮০০ ইঞ্চির ডিসপ্লে, ব্যবসা বাড়াচ্ছে সংস্থা

ভিউসোনিক প্রথমে মনিটর ও প্রজেক্টরের মতো তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছিল। পরে শিক্ষাক্ষেত্রের জন্য ইন্টারঅ্যাকটিভ ফ্ল্যাট প্যানেল, ডিজিটাল সাইনেজ এবং এলইডি ডিসপ্লের মতো পণ্যে ব্যবসা সম্প্রসারণ করে সংস্থাটি। এখন পেশাদার অডিও-ভিজ্যুয়াল বা প্রো এভি বাজারে আরও সক্রিয়ভাবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে তারা।

মুনির আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমানে সংস্থার ডিসপ্লে পণ্যের পরিসর প্রায় ৮ ইঞ্চি থেকে ৮০০ ইঞ্চি পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মনিটর, বড় আকারের ডিসপ্লে, ইন্টারঅ্যাকটিভ প্যানেল এবং নতুন গুগল টিভি পণ্য। সরকারি দফতর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট অফিস এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন মাপের ডিসপ্লের চাহিদা মেটানোই এই বিস্তৃত পণ্যের পরিসরের উদ্দেশ্য।

প্রায় দুই থেকে তিন বছর আগে প্রো এভি পণ্যের বিভাগ আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয় ভিউসোনিক। সেই সময় থেকেই ৮৬, ৯২, ৯৮, ১০৫ এবং ১১০ ইঞ্চির মতো বড় ডিসপ্লের চাহিদার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। আহমদের বক্তব্য, এলইডি ব্যবসায় বছরে প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি ডিজিটাল সাইনেজের ব্যবসাও ভালো করছে এবং ৮৬ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বড় ইন্টারঅ্যাকটিভ ফ্ল্যাট প্যানেলের চাহিদাও বাড়ছে।

সংস্থার লক্ষ্য শুধু পণ্য বিক্রি নয়, তার সঙ্গে নির্ভরযোগ্য পরিষেবা ও বিক্রয়-পরবর্তী সহায়তা নিশ্চিত করাও। বড় ডিসপ্লে বসানো থেকে শুরু করে রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে যন্ত্রাংশ বদল, সব ক্ষেত্রেই গ্রাহকদের সহায়তা দেওয়ার পরিকাঠামো তৈরি করছে ভিউসোনিক। একই সঙ্গে সিস্টেম ইন্টিগ্রেটরদেরও প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রযুক্তিগত ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

কেন এলইডি ডিসপ্লেকে ঘিরে বড় সম্ভাবনা দেখছে ভিউসোনিক?

ভিউসোনিকের সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় এলইডি ডিসপ্লে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। কারণ, কমান্ড সেন্টার, কর্পোরেট অফিস, খুচরো বিপণন কেন্দ্র এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক পরিসরে বড় আকারের ডিসপ্লের ব্যবহার বাড়ছে। সংস্থার মতে, আগামী বছরগুলিতে এই বাজারে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

২০২৬ সালের ইনফোকম ইন্ডিয়া প্রদর্শনীতে ভিউসোনিক সিওবি প্রযুক্তিভিত্তিক এলইডি পণ্যও সামনে এনেছে। মুনির আহমদের বক্তব্য, এই বিভাগে পণ্যের গড় বিক্রয়মূল্য তুলনামূলক বেশি এবং বাজারের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। ফলে সংস্থার ভবিষ্যৎ ব্যবসায় এলইডি প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

এলইডি ডিসপ্লের আরেকটি সুবিধা হল, প্রচলিত ভিডিও ওয়ালের তুলনায় এর রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হতে পারে। পুরনো পদ্ধতিতে সাধারণত একাধিক এলসিডি প্যানেল পাশাপাশি বসিয়ে বড় ভিডিও ওয়াল তৈরি করা হয়। এতে প্যানেলের সংযোগস্থলে দৃশ্যমান রেখা থেকে যেতে পারে। আবার কোনও একটি প্যানেল খারাপ হলে সেটি বদলানোর জন্য বেশি সময় ও খরচ লাগতে পারে।

অন্যদিকে, এলইডি ওয়াল ছোট ছোট মডিউল দিয়ে তৈরি হয়। কোনও মডিউলে সমস্যা দেখা দিলে পুরো ডিসপ্লে বদলানোর পরিবর্তে নির্দিষ্ট মডিউলটি খুলে নতুন মডিউল বসানো সম্ভব। ভিউসোনিকের দাবি, এতে রক্ষণাবেক্ষণ তুলনামূলক সহজ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কাজের দক্ষতা বাড়ানো যায়। বড় ডিসপ্লের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রযুক্তি আরও জনপ্রিয় হতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

গুগল টিভি আনলেও সাধারণ ক্রেতাদের বাজারে নামছে না সংস্থা

ভিউসোনিক ২০২৬ সালের ইনফোকম প্রদর্শনীতে গুগল টিভি পণ্যের পরিসরও সামনে এনেছে। তবে এই পণ্যগুলি সাধারণ পরিবারের জন্য টেলিভিশন বিক্রির বাজারকে লক্ষ্য করে আনা হচ্ছে না। বরং হোটেল, সরকারি প্রকল্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতাদের উপর জোর দিতে চাইছে সংস্থাটি।

আহমদের বক্তব্য, ভারতে সাধারণ টেলিভিশনের বাজারে ইতিমধ্যেই একাধিক প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড রয়েছে। সেই বাজারে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামার পরিবর্তে সরকারি, শিক্ষা ও কর্পোরেট ক্ষেত্রে ভিউসোনিকের বিদ্যমান নেটওয়ার্ক এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় তারা।

উদাহরণ হিসেবে হোটেল ও সরকারি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। এই ধরনের প্রকল্পে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক টেলিভিশন বা ডিসপ্লের প্রয়োজন হতে পারে। পঞ্চায়েতি রাজের মতো সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পেও বড় পরিসরে যন্ত্র সরবরাহের সুযোগ রয়েছে। তাই সাধারণ ক্রেতাদের বদলে প্রাতিষ্ঠানিক বিক্রিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে সংস্থাটি।

শ্রেণিকক্ষে এআই প্রযুক্তি, শিক্ষকদের জন্য নতুন সুবিধা

শিক্ষাক্ষেত্রও ভিউসোনিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। সংস্থাটি ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিসপ্লেতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-ভিত্তিক সুবিধা যুক্ত করছে। মুনির আহমদ জানিয়েছেন, আইএন০৫ এবং আইএন০৪ভি সিরিজের কিছু মডেলে এআই ফিচার রয়েছে। আইএন০৫ সিরিজের নির্দিষ্ট মডেলে ক্যামেরা ও মাইক্রোফোনও দেওয়া হয়েছে।

এই প্রযুক্তির সাহায্যে শিক্ষকরা ডিসপ্লেতে লেখা কোনও বিষয় ঘিরে বা হাইলাইট করে তার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পেতে পারেন। পাশাপাশি, ক্লাসের বিষয় বা শিরোনাম লিখে দিলে পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রেজেন্টেশন কিংবা নথির বিষয়বস্তু তৈরিতেও এআই টুল সাহায্য করতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

শিক্ষক ও পড়ুয়াদের মধ্যে আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে ভিউসোনিকের ক্লাসসুইফট ব্যবস্থাও রয়েছে। এর মাধ্যমে কুইজ, শ্রেণিকক্ষের বিভিন্ন কার্যকলাপ এবং শিক্ষক-পড়ুয়াদের পারস্পরিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়।

তবে শিক্ষায় এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন আহমদ। তাঁর ব্যক্তিগত মত, অল্প বয়স থেকেই পড়ুয়ারা যদি অতিরিক্তভাবে এআইয়ের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তা হলে স্বাধীনভাবে চিন্তা করা, যুক্তি তৈরি করা এবং নিজের শেখার দক্ষতা বিকাশের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই পড়ুয়াদের বয়স ও প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্বশীলভাবে এআই ব্যবহার করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

ভারতের বাজারে দাম নিয়ে কী কৌশল ভিউসোনিকের?

ভারতকে দাম-সংবেদনশীল বাজার হিসেবে দেখছে ভিউসোনিক। এখানে ক্রেতারা পণ্য কেনার সময় দামকে বিশেষ গুরুত্ব দেন। তাই বিভিন্ন বাজেটের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছতে একাধিক বিভাগে পণ্য রাখার কৌশল নিয়েছে সংস্থাটি।

আহমদ জানিয়েছেন, পুরনো কিছু মডেলের উৎপাদন বা বিক্রি বন্ধ হলে সেগুলির পরিবর্তে নতুন মডেল আনা হবে। তবে ব্র্যান্ডবিহীন কিংবা অত্যন্ত কম দামের চিনা পণ্যের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতা করার পরিকল্পনা নেই ভিউসোনিকের। তাঁর মতে, প্রতিটি ব্র্যান্ডের নিজস্ব বাজার অবস্থান রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী পণ্যের দাম ও পরিষেবা নির্ধারণ করতে হয়।

বিশেষ করে বড় ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিসপ্লের ক্ষেত্রে শুধু কেনার দাম দিয়ে মোট খরচ বিচার করা যায় না। ওয়ারেন্টি, যন্ত্রাংশ সরবরাহ, পরিবহণ, মেরামতি এবং প্রয়োজনে পুরো ইউনিট বদলানোর খরচও বিবেচনায় রাখতে হয়। ৮৬ বা ৯৮ ইঞ্চির মতো বড় ডিসপ্লে পরিবহণ করা এবং বদলে দেওয়া যথেষ্ট ব্যয়বহুল হতে পারে। তাই গ্রাহকের দীর্ঘমেয়াদি অভিজ্ঞতা এবং পরিষেবার খরচও সংস্থার মূল্য নির্ধারণের কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

বিক্রির পরেও পরিষেবা, স্পেয়ার পার্টসের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা

বড় ডিসপ্লে কেনার ক্ষেত্রে বিক্রয়-পরবর্তী পরিষেবা গুরুত্বপূর্ণ। কোনও যন্ত্রে সমস্যা হলে দ্রুত মেরামতি বা বদলির ব্যবস্থা না থাকলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দফতর কিংবা কর্পোরেট অফিসের কাজ ব্যাহত হতে পারে। সেই কারণে নিজস্ব পরিষেবা কেন্দ্রের পাশাপাশি তৃতীয় পক্ষের পরিষেবা প্রদানকারী এবং অনুমোদিত পরিষেবা কেন্দ্রের সঙ্গে কাজ করছে ভিউসোনিক।

যেসব এলাকায় সংস্থার প্রধান পরিষেবা সহযোগী নেই, সেখানে সরাসরি সহায়তা দেওয়া অথবা অন্য পরিষেবা সহযোগীর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করা হয়। গ্রাহকরা টোল-ফ্রি নম্বর কিংবা ইমেলের মাধ্যমে সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এরপর রিটার্ন মেরচেন্ডাইজ অথরাইজেশন বা আরএমএ নম্বর দেওয়া হয় এবং সমস্যা সমাধানের জন্য ইঞ্জিনিয়ার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন আহমদ।

যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অফিস ও পরিষেবা কেন্দ্রে মজুত রাখা হয়। কিছু জনপ্রিয় মডেলের জন্য অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ এবং বদলি ইউনিটও রাখা হয়, যাতে সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তবে প্রতিটি পরিষেবা কেন্দ্রে সব মডেলের যন্ত্রাংশ রাখা সম্ভব নয় বলে স্বীকার করেছে সংস্থাটি।

ভারতের বড় ডিসপ্লে বাজারে এখনও বৃদ্ধির সুযোগ

ভিউসোনিকের মতে, ভারতে বড় আকারের ডিসপ্লের ব্যবহার এখনও পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছয়নি। যে সব বাজারে ইনডোর ও আউটডোর ডিসপ্লের ব্যবহার অনেক বেশি, সেই সব অঞ্চলের তুলনায় ভারতে এই প্রযুক্তির প্রসারের সুযোগ এখনও যথেষ্ট রয়েছে।

আগে অফিসের বোর্ডরুম বা কমান্ড সেন্টারে প্রজেক্টরের ব্যবহার বেশি ছিল। পরে নন-টাচ প্যানেল এবং তার পর টাচ-সক্ষম ডিসপ্লে জনপ্রিয় হতে শুরু করে। এখন বড় এলইডি ডিসপ্লের ব্যবহার বাড়ছে। ভিউসোনিক মনে করছে, সরকারি প্রকল্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট অফিস এবং বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন তাদের ব্যবসা বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ভারতে ৫০০ কোটি টাকার রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে ভিউসোনিক শুধু মনিটর ও প্রজেক্টরের উপর নির্ভর করতে চাইছে না। এলইডি ডিসপ্লে, ডিজিটাল সাইনেজ, বড় ইন্টারঅ্যাকটিভ প্যানেল, প্রাতিষ্ঠানিক গুগল টিভি এবং এআই-সমৃদ্ধ শিক্ষাপ্রযুক্তিকে সামনে রেখে ব্যবসার পরিসর বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। তবে এই পরিকল্পনা কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করবে বাজারের চাহিদা, দামের প্রতিযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিষেবা দেওয়ার সক্ষমতার উপর।

Get your daily dose of tech news and insight.  Follow us on X, Facebook, WhatsApp and Google News for instant updates. Catch all the action on our YouTube channel.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *