দীপকেদের কর্মসূচি রুখে দিতে তৈরি পুলিশ
সিজেপি অবশ্য আজকের অভিযান নিয়ে আশাবাদী। তারা পাশে পেয়েছে বামেদেরও। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন দীপকে৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইসা নেত্রী নেহা বোরা, এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ, আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ এবং প্রবীণ অভিনেতা প্রকাশ রাজ-সহ অনেককেই। সেখান থেকে দীপকের অভিযোগ, ‘কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশন সেটিং করে ১৩ কোটি ভারতবাসীর নাম বাদ দিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে৷ সরকারের আসল লক্ষ্য, ‘এক দেশ, এক দল এবং এক নেতা’ তৈরি করা৷ জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে প্রতিবাদ ঠেকাতে রাজধানীতে অস্বাভাবিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে৷ ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (সার) সংক্রান্ত মতপার্থক্য চেপে দেওয়া হচ্ছে৷ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সাংসদ, বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে৷ সব কিছু জ্ঞানেশের জন্য! কেন তাঁকে বাঁচাতে চাইছে সরকার?’ নেহা বলেন, ‘প্রতিবাদের খবর করতে আসা সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও দিল্লি পুলিশ তাঁদের উপরে চড়াও হচ্ছে৷ যৌন হেনস্থার অভিযোগও উঠছে৷ আইন–শৃঙ্খলা না সামলে পুলিশ সাধারণ মানুষের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ছে৷ যাঁরা ভোটাধিকারের কথা বলছেন, তাঁদের জেলে ভরা হচ্ছে!’ ঐশীর ডাক, ‘এখন একজোট হওয়ার সময়৷ আমরা শুক্রবার হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে এগোবো৷ তেরঙ্গা হাতে থাকা অবস্থায় আমাদেরই দেশের পুুলিশ কী ভাবে আমাদের সঙ্গে বর্বর আচরণ করে, দেখব আমরা৷’ দিল্লির প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন কিছু লোক ঢুকে চিৎকার করে অনুষ্ঠান বন্ধের চেষ্টা করে। নিরাপত্তারক্ষীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু আজ দিল্লির রাজপথে একযোগে নামা দীপকে, নেহা, ঐশীদের এমন কোনও পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় কি না, সেটাই দেখার।