Flyover Colour: ‘অবৈজ্ঞানিক বিপজ্জনক রং যদি তুলতেই হয়, ছেলেমানুষি করে লাগালেন কেন?’ ফ্লাইওভার থেকে ফের মুছে ফেলা হচ্ছে রং? | Chingrighata Flyover Accident Sparks Controversy Over Colourful Paint
বাঁ দিকে, কুণালের পোস্ট করা ছবি, যেখাবে রং তোলা হচ্ছে।Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: গোলাপি, কমলা, হলুদ, লাল এবং রামধনুর নানা উজ্জ্বল রঙে ফ্লাইওভারগুলোর ওপরের অংশ রাঙানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ও ব্রিজে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি ‘আলপনা’ আঁকা হয়েছে। কিন্তু তা নিয়ে একাধিক বিতর্ক। সেই বিতর্ক আরও চড়ে, যখন চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারে বাইকের চাকা স্কিড করে দুর্ঘটনা হয়। এই দুর্ঘটনার দায় কার, প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। কুণাল ঘোষ পোষ্ট করেছেন। সেখানে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি দাবি করেছেন, চিংড়িহাটার দুর্ঘটনার পর গড়িয়াহাটের রং তোলার প্রয়াস চলছে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “অবৈজ্ঞানিক বিপজ্জনক রং যদি তুলতেই হয়, ছেলেমানুষি করে লাগালেন কেন? দুর্ঘটনার দায় কে নেবে? কাদের টাকার শ্রাদ্ধ হল? চিংড়িহাটার দুর্ঘটনার পর গড়িয়াহাটের রং তোলার ছবি থেকে যাক।”
পুজোর আগে শহর সুন্দর করার জন্য বেশ কয়েকটি ব্রিজ রং করা হয়। তার মধ্যে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার এবং গড়িয়াহাট ব্রিজ অন্যতম। এই রং করার পরেই বিপত্তি চিংড়িঘাটা ব্রিজে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বাইক চালকরা বৃষ্টির সময় এই রঙের উপর স্লিপ করে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। যদিও গড়িয়াহাট ফ্লাইওভারের এখনও কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনা এড়াবার জন্য চিংড়ি ঘাটা ফ্লাইওভারে বসানো হয়েছে হলুদ রঙের ফাইবার ব্লক, গড়িয়াহাট ব্রিজের উপরে কোন ফাইবার ব্লক বসেনি।
গড়িয়াহাট ফ্লাইওভারে দেখা গিয়েছে, রংয়ের বেহাল দশা বিভিন্ন জায়গায় রং এর লম্বা চলটা উঠে যাচ্ছে। বৃষ্টিতে ভিজে রং বিভিন্ন জায়গায় ফুলে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেই রঙে চাকা পড়লেই স্কিট করার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু কুণাল ঘোষ যে ছবি শেয়ার করেছেন, তাতে তিনি দাবি করেছেন গড়িয়াহাট ফ্লাইওভারের রং তোলা হচ্ছে। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে কি সেটা এই দুর্ঘটনার কারণেই? যদিও বাইক চালকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া কেউ বলছে দেখতে সুন্দর লাগছে কেউ বলছে দুর্ঘটনা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে কেউ বলছে সাবধানে গাড়ি চালাতে হবে। তবে পুরমন্ত্রী কী বলছেন?
চিংড়িহাটা উড়ালপুলে দুর্ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর দাবি, তেল রঙ নয়, অ্যান্টি-স্কিড রঙ ব্যবহৃত হয়েছিল। তাঁর দাবি, যে রঙ ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা কিন্তু সম্পূর্ণ ‘অ্যান্টি-স্কিড কালার’। এটা তেল রঙ ব্যবহার হয়নি। কিন্তু তারপরও কীভাবে চাকা স্কিড করল, সেটা ইঞ্জিনিয়াররাই বলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।