রবিউলের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান! ১ মাস ধরে নিখোঁজ বাংলাদেশের হিন্দু ছাত্রী রুপা
নড়াইল: বাংলাদেশের নড়াইল জেলার সদর উপজেলার বোড়ামারা (Rupa Das)গ্রামের দশম শ্রেণির ছাত্রী রুপা দাস (১৫) গত ১৩ সেপ্টেম্বর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়ার…
নড়াইল: বাংলাদেশের নড়াইল জেলার সদর উপজেলার বোড়ামারা (Rupa Das)গ্রামের দশম শ্রেণির ছাত্রী রুপা দাস (১৫) গত ১৩ সেপ্টেম্বর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়ার পর এক মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে। পরিবারের দাবি, তাকে জোর করে তুলে নেওয়া হয়েছে। বড় ভাই সাগর দাস নড়াইল সদর থানায় অপহরণের অভিযোগে মামলা করেছেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন। তবুও এখনো মেয়েটির সন্ধান মেলেনি।
পরিবারের বক্তব্য অনুসারে, রুপা (Rupa Das)বোড়ামারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে মাইজপাড়া-তুলারামপুর সড়কে তাকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রবিউল ইসলাম, আলিফ শিকদারসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করা হয়। স্থানীয়রা দাবি করেন, রবিউল দীর্ঘদিন ধরে রুপাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে।
আরও দেখুনঃ বিমানবন্দরে ইউনূসকে ঘিরে বিক্ষোভ, আওয়ামি লিগের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি
নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও কোনো সন্ধান পাননি। মামলা হওয়ার পর আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পরিবার আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর নড়াইল আদালত চত্বরে রুপার আরেক ভাই সবুজ দাস চোখে কালো কাপড় বেঁধে এবং হাতে ‘বিচার ব্যবস্থা অন্ধ’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ করেন। তিনি দ্রুত বোনকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিচারের দাবি জানান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এই ঘটনাকে স্কুলছাত্রীর নিখোঁজ ও অপহরণের অভিযোগ হিসেবে প্রতিবেদন করেছে। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে বলে জানানো হয়েছে। তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও রুপাকে উদ্ধার করা যায়নি বলে পরিবার অভিযোগ করেছে। পরিবারের দাবি, তাঁরা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং পুলিশের তরফ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এই ঘটনা স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। (Rupa Das)অভিভাবকরা স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নড়াইলের প্রশাসন ও পুলিশের কাছে পরিবার দ্রুত তদন্ত এবং মেয়েটিকে উদ্ধারের আহ্বান জানিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার তরফ থেকে এখনো কোনো বড় অগ্রগতির কথা জানা যায়নি।