Salman Khan: হোটেল রুমে একা পেয়ে সলমনকে ছুঁয়েছিলেন এই বাঙালি নায়িকা, তারপর সেই হাতেই ৭ দিন যা করেছিলেন… | Actress chandni salman khan hotel room meeting autograph story
বলিউডের ‘সুলতান’ সলমন খানের প্রতি অনুরাগীদের পাগলামির গল্প নতুন কিছু নয়। তবে সেই অনুরাগী যদি নিজেই রুপোলি পর্দার পরিচিত মুখ হন, তবে সেই আবেগ যেন আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় সুপারস্টার সলমন খানের সঙ্গে নিজের শৈশবের দুটি ছবি শেয়ার করে অতীত নস্ট্যালজিয়ায় ডুব দিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহবুবা মহনূর চাঁদনি। প্রিয় তারকার সঙ্গে মুখোমুখি দেখা হওয়া থেকে শুরু করে অটোগ্রাফ নেওয়ার সেই রোমাঞ্চকর মুহূর্তের গল্প তুলে ধরলেন তিনি।
চাঁদনি জানান, ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া সলমনের কালজয়ী ছবি ‘ম্যায়নে প্যার কিয়া’ দেখার পর থেকেই অভিনেতার প্রতি তাঁর তীব্র অনুরাগের শুরু। ছোটবেলায় পড়ার টেবিল থেকে শুরু করে ঘরের দরজায়—সবখানেই ঝুলত ‘সল্লু’-র ছবি। একবার একটি অনুষ্ঠানে সলমনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হওয়ায় মন ভেঙেছিল স্কুলপড়ুয়া চাঁদনির। তবে আশা ছাড়েননি তিনি।
পরবর্তীতে সলমন ঢাকায় এসে তৎকালীন শেরাটন হোটেলে উঠেছেন জানতে পেরে নানা কৌশলে সেখানে পৌঁছে যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা, বান্ধবী সাদিয়া ইসলাম এবং চিত্রগ্রাহক মহসিন। রুমের নম্বর জোগাড় করে ভেতরে ঢুকে তাঁরা দেখেন, সেখানে একেবারেই একা বসে আছেন বলিউডের ভাইজান!
এই সেই বাংলাদেশি অভিনেত্রী চাঁদনি

অনুমতি নিয়ে প্রিয় তারকার পাশে গিয়ে দাঁড়ান কিশোরী চাঁদনি। নিজের পরিচয় দেওয়ার পর অত্যন্ত মার্জিত ও বিনয়ী ভঙ্গিতে একটি বিশেষ অটোগ্রাফ লিখে দেন বলি-তারকা। অটোগ্রাফের পাতায় লেখা ছিল— ‘চাঁদনি, ফর ইয়োর সলমন’। চাঁদনির কথায়, “তিনি কিছুটা লাজুক প্রকৃতির ছিলেন। আমার নাম জিজ্ঞাসা করার সময় তিনি যেভাবে তাকিয়েছিলেন, সেই চোখের চাউনি আর কথা বলার ভঙ্গি আজও আমার কাছে উজ্জ্বল।”
সলমনের সঙ্গে সাক্ষাৎ চাঁদনির

প্রিয় অভিনেতার সঙ্গে প্রথমবার হ্যান্ডশেক ও সাক্ষাতের আবেগ চেপে রাখতে পারেননি চাঁদনি। হাসিমুখে শৈশবের সেই পাগলামির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “আমি সেদিন পুরোটা সময় সলমন খানের হাত ধরে ছিলাম। বাসায় ফিরে আসার পর টানা সাত দিন আমি সেই হাত ধুইনি! এটা হয়তো কিশোরী মনের চরম উন্মাদনা ছিল, কিন্তু একজন ট্রু ফ্যানের আবেগ ঠিক এমনই হয়।” সোশাল মিডিয়ায় ছবি দুটি পোস্ট করতেই তোলপাড় অনুরাগীদের মধ্যে। অনেকে মজা করে ভুয়ো ছবি বললেও অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, বহু বছরের পুরোনো এই মধুর স্মৃতিকথা তাঁর অন্যতম মূল্যবান অধ্যায়।